রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছয় মাসের হানিমুন পিরিয়ড শেষ
সরকারের অনেক অর্জন থাকলেও প্রত্যাশার চাপ বাড়ছে
মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটেই বড় পরীক্ষা
শাহীন রহমান
প্রকাশ: রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ পিএম  আপডেট: ১৭.০৮.২০২৬ ৭:৩৫ পিএম  (ভিজিট : ৬৪)
X

দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পূর্ণ করল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ২১২টি আসনে জয় নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পর প্রথম ১৮০ দিন কেটেছে একদিকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের নানা উদ্যোগে; অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা এবং সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের চাপে। সরকারের নিজস্ব মূল্যায়নে প্রথম ছয় মাসে একাধিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির দাবি করা হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মতে, উদ্যোগের তুলনায় দৃশ্যমান ফল এখনো প্রত্যাশার সমান নয়।

যদিও সরকারের প্রথম একশ’ দিনের মূল্যায়নে ইতিবাচক উল্লেখ করেছিল টিআইবি। তখন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ আছে, অগ্রগতিও আছে, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতিও রয়ে গেছে। তাদের পক্ষ থেকে এমপিদের বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহার, ভিভিআইপি প্রটোকল কমানো, পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারের উদ্যোগ, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বড় আপত্তি জবাবদিহি ও দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ না থাকা নিয়ে। টিআইবির ভাষায়, কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাওয়ার লক্ষণও দেখা গেছে।

তবে সরকারের ছয়মাসের একটি মূল্যায়ন দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি। প্রতিষ্ঠানের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও সতর্ক কওে বলেন দেশের আর্থসামাজিক সমস্যার গভীরতার তুলনায় দ্রুত কিছু করার পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয়। তাঁর মতে, পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলোর একটি হলো রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিকতা, সরকারি ব্যয়ে মিতব্যয়িতা এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা রয়েছে। 


সরকারি অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেতাদের ছবি ব্যবহারের প্রচলন বন্ধ, সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না রাখা, ভিআইপি সংস্কৃতি কমানো এবং সরকারি সফর-আপ্যায়ন ব্যয় কমানোর মতো পদক্ষেপকে এ পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের দাবি, প্রধানমন্ত্রী সরকারি গাড়ির পরিবর্তে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন এবং তাঁর মাসিক মূল বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিচ্ছেন।

অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতার চেষ্টা॥ ছয় মাসে সরকারের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষা ছিল ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকদের অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর নানা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তবে অর্থনীতির বাস্তব চিত্রে এখনো স্বস্তি পুরোপুরি ফেরেনি। মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ তৈরি করছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে মূল্যস্ফীতি উচ্চ থাকা, মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে মূল্যস্ফীতির ব্যবধান, দুর্বল রাজস্ব আহরণ এবং সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধীরগতিকে অর্থনীতির বড় চাপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সরকারের জন্য এখন বড় প্রশ্ন পরিকল্পনা ও বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা কত দ্রুত মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি আনতে পারবে।

কর্মসংস্থান: বড় প্রতিশ্রুতি, দীর্ঘ পথ॥ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম বড় অংশ কর্মসংস্থান। সরকার ২০২৬-৩১ মেয়াদে দেশে ও বিদেশে প্রায় এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৯৩ লাখ ২৭ হাজার। 

শিল্পায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ, অনানুষ্ঠানিক খাত ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে কর্মসংস্থানের প্রধান চালিকাশক্তি করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ছয় মাসে এই লক্ষ্যের বাস্তব ফল পরিমাপের সময় এখনো আসেনি। ফলে সরকারের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ শুধু কর্মসংস্থানের সংখ্যা ঘোষণা নয়; তরুণদের জন্য স্থায়ী, উৎপাদনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা।


ফ্যামিলি কার্ড-কৃষক কার্ডে সরাসরি সহায়তা॥ সামাজিক সুরক্ষায় সরকার সরাসরি সুবিধাভোগীর হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নীতি নিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু। সরকারের হিসাবে ছয় মাসে ৬৭ হাজার ২৭৮টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে ৪১ লাখ নারীকে এ কার্ড দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে। 

প্রায় ১৪ লাখ ৩৪ হাজার কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে বলেও সরকারের মূল্যায়নে দাবি করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সরকারি গুদামে ২২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত থাকার তথ্য দেয়া হয়েছে। সরকারের মতে, এতে বাজার স্থিতিশীল রাখা ও জরুরি সময়ে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতা বেড়েছে।

শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বড় পরিকল্পনা॥ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা করা হয়েছে। ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’, ডিজিটাল ক্লাসরুম, ফ্রি ওয়াই-ফাই, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ এবং উপবৃত্তি বাড়ানোর মতো কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ হেলথ কেয়ারার ও পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড চালুর প্রস্তুতি চলছে। এসব উদ্যোগের সাফল্য অবশ্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের মানের ওপর। বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ার পাশাপাশি সেবার মান, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কার্যকর সেবা পৌঁছানোই হবে প্রকৃত মূল্যায়নের মাপকাঠি।

আইনশৃঙ্খলায় সাফল্যের দাবি, প্রশ্নও আছে॥ সরকার আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে প্রথম ছয় মাসের অন্যতম সাফল্য হিসেবে দেখিয়েছে। দ্রুত বিচার, আলোচিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানকে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আটককেন্দ্র ও কারাগারে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ গঠনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। তবে এখানেই সরকারের সামনে সবচেয়ে স্পর্শকাতর রাজনৈতিক প্রশ্ন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মূল্যায়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। একই সঙ্গে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ, প্রশাসনে সমন্বয়ের ঘাটতি এবং কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে বিতর্ক সরকারের ভাবমূর্তিতে চাপ তৈরি করেছে।

সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ বিদ্যুৎ-গ্যাসে॥ ছয় মাসের সাফল্যের তালিকার বিপরীতে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় বাস্তব সংকট হয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। শিল্পকারখানা, সার কারখানা ও সিএনজি স্টেশনও এর প্রভাবের বাইরে থাকেনি। সংকট এতটাই তীব্র হয়েছে যে আগস্টে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দোকান, বাজার ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের ঘাটতির কারণে জাতীয় গ্রিডে পিক আওয়ারে কয়েক শ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে।


 আমদানিনির্ভর এলএনজির ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এই সংকট এখন কেবল সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয় নয়; এটি শিল্প উৎপাদন, বিনিয়োগ, রপ্তানি, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ফলে আগামী ছয় মাসে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে পারে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যের চেষ্টা॥ পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এবং কৌশলগত ভারসাম্যের নীতি সামনে এনেছে সরকার। চীন ও মালয়েশিয়া সফর, অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণকে সরকারের কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনেরও চেষ্টা চলছে। তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক আস্থার প্রশ্ন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ভারতের নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

সামনে আসল পরীক্ষা॥ সরকারের দাবি, প্রথম ছয় মাস ছিল প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরির সময়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অধিকাংশ নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হয়েছে এবং কোথাও ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণ হয়েছে; আগামী ছয় মাস আরও ফলপ্রসূ হবে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন অনেক বেশি সতর্ক। তাদের মতে, উদ্যোগের ঘাটতি না থাকলেও বাস্তবায়নের গতি, আইনশৃঙ্খলা, জ্বালানি পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সব মিলিয়ে ছয় মাসের সরকারকে এক কথায় সফল বা ব্যর্থ বলার সময় এখনো আসেনি। বরং এই ছয় মাসে সরকার যে লক্ষ্যগুলো ঘোষণা করেছে, সেগুলোই আগামী দিনের মূল্যায়নের মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামানো, প্রায় এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলায় স্থায়ী স্বস্তি আনা এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট মোকাবিলা—প্রতিটি লক্ষ্যই বড়।

মানুষ এখন আর শুধু ঘোষণা শুনতে চায় না; চায় বাজারে স্বস্তি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং সরকারি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন। প্রথম ছয় মাসে সরকার সেই পরিবর্তনের কিছু ভিত্তি তৈরির দাবি করেছে। কিন্তু আগামী ছয় মাসে সেই ভিত্তি কতটা দৃশ্যমান ফলাফলে রূপ নেয় সেটিই নির্ধারণ করবে সরকারের প্রথম বছরের প্রকৃত সাফল্যের চিত্র। ছয় মাসে সরকারের অর্জনের খতিয়ান তাই মূলত একটি ‘প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবায়ন’-এর হিসাব। সামনে সময় আছে, কিন্তু প্রত্যাশার চাপও কম নয়।

আ.দৈ/এসআর


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝