রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
মিয়ানমারের স্বীকৃতি মিললেও ফেরার পথ অনিশ্চিত
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কিছুটা অগ্রগতি দেখালেও নিরাপত্তার বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে সামনে রেখেছে। ফলে কবে প্রত্যাবাসন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
শাহীন রহমান
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম  আপডেট: ১৮.০৮.২০২৬ ৫:৪৫ পিএম  (ভিজিট : ৫৮)
X


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘ অচলাবস্থার মধ্যে নতুন বার্তা দিয়েছে মিয়ানমার। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করার কথা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে একই সঙ্গে বলা হয়েছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু করা হবে না। ফলে মিয়ানমারের এই স্বীকৃতি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সম্ভাবনার নতুন দরজা খুললেও বাস্তবে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার পথ এখনো অনিশ্চিত।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কিছুটা অগ্রগতি দেখালেও নিরাপত্তার বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে সামনে রেখেছে। ফলে কবে প্রত্যাবাসন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। বাংলাদেশের জন্য এটি একই সঙ্গে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের বিষয়। একদিকে বড় সংখ্যক রোহিঙ্গাকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় ভবিষ্যৎ আলোচনার ভিত্তি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তার অজুহাতে প্রত্যাবাসন অনির্দিষ্টকাল পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করেছে মিয়ানমার। তবে তাদের প্রত্যাবাসন এখনই শুরু হচ্ছে না। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। এর আগে  বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ঢাকার পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে দেয়া তালিকা যাচাই করে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ যে ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা দিয়েছিল, তার একটি অংশকে তারা রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে। তবে তালিকার বড় একটি অংশের তথ্য এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাতের কারণে রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় এখনো অস্থিতিশীলতা রয়েছে। ফলে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিয়ানমারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়াকে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা যেতে পারে। কারণ এর মাধ্যমে অন্তত এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের রাখাইনের সঙ্গে সম্পর্ক মিয়ানমারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে। তবে এই স্বীকৃতি প্রত্যাবাসন শুরু করার নিশ্চয়তা নয়।

মিয়ানমারের এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট প্রায় এক দশকে পা দিয়েছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে সামরিক অভিযানের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগে বিভিন্ন দফায় সহিংসতার কারণে আরও বহু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাস করছে। দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত তা কার্যকরভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ যে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকা দিয়েছে, তার মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করা হয়েছে।  তবে তালিকার বড় একটি অংশ এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। মিয়ানমারের হিসাবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আবার ৪ হাজার ২৪১ জনকে তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করেছে। ফলে বাংলাদেশের পাঠানো পুরো তালিকা নিয়ে মিয়ানমারের গ্রহণযোগ্যতা এখনো তৈরি হয়নি।

তবে মিয়ানমারের স্বীকৃতি মিললেও এখনই প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না। দেশটির দাবি, রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়। রাখাইনে বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। ফলে রোহিঙ্গারা যে এলাকাগুলো থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছিল, সেখানে তাদের নিরাপদে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
ফলে মিয়ানমার নিরাপত্তাকে প্রত্যাবাসনের পূর্বশর্ত করায় প্রক্রিয়াটি আবারও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে এবং কখন সেটিকে প্রত্যাবাসনের উপযোগী বলে বিবেচনা করা হবে এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ, তবে বড় চ্যালেঞ্জও

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও মিয়ানমারেই হতে হবে। জাতিসংঘে গত জুনে বাংলাদেশ আবারও দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য মিয়ানমারের নতুন ঘোষণা তাই কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনায় মূল বাধাগুলোর একটি ছিল মিয়ানমার কতজনকে ফেরত নিতে প্রস্তুত এবং কাদের তারা নিজেদের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করছে। এবার প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় অন্তত একটি বড় সংখ্যার ক্ষেত্রে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে ঢাকার সামনে এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, এই স্বীকৃতির পর মিয়ানমার বাস্তবে কী পদক্ষেপ নেয়। শুধু তালিকা যাচাই বা স্বীকৃতি দিয়ে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব নয়। নিরাপদ পরিবেশ, নাগরিক অধিকার, বসবাসের নিশ্চয়তা, চলাচলের স্বাধীনতা এবং জীবিকা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গারা ফেরার বিষয়ে আস্থা পাবে না।

রোহিঙ্গাদের আস্থাই সবচেয়ে বড় বিষয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে শুধু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্মতি যথেষ্ট নয়। যাদের ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরও নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার বিষয়ে আস্থা থাকতে হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা এবং রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। রোহিঙ্গারা যদি মনে করে, ফিরে যাওয়ার পর তাদের আবারও সহিংসতা, বৈষম্য, চলাচলে বিধিনিষেধ কিংবা নাগরিকত্বের অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হবে, তাহলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এ কারণেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ এরই মধ্যে জাতিসংঘ ও আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার পাশাপাশি আসিয়ানসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন বলে ঢাকা মনে করছে।

২০১৮ সালের চুক্তির পরও কেন অগ্রগতি হয়নি?

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে ২০১৮ সালে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এরপর দেশটির অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং রাখাইনে আরাকান আর্মির শক্তি বৃদ্ধির কারণে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এর মধ্যে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতিও ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। তহবিল সংকটের কারণে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হচ্ছে। খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পাশাপাশি ক্যাম্পে অপরাধ ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতাও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

ফলে বাংলাদেশ দ্রুত প্রত্যাবাসন চাইলেও তা যেন নিরাপদ ও টেকসই হয় এ বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তাড়াহুড়ো করে প্রত্যাবাসন শুরু করে আবার রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে। মিয়ানমারের নতুন ঘোষণার পর এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কথার সঙ্গে বাস্তব পদক্ষেপের মিল। প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও শুধু এই স্বীকৃতিতে সংকটের সমাধান হবে না।

মিয়ানমারকে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি দিতে হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গারা কোথায় ফিরবে, তাদের বসবাসের ব্যবস্থা কী হবে, নাগরিকত্বের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রত্যাবাসনকে শুধু ‘ফেরত নেওয়া’ হিসেবে দেখলে চলবে না। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের ব্যবস্থাও থাকতে হবে, যাতে প্রত্যাবাসনের পর তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখন বাংলাদেশের কূটনীতির মূল লক্ষ্য হতে পাওে এই স্বীকৃতিকে বাস্তব প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপে রূপ দেয়া। মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি জাতিসংঘ, আসিয়ান ও প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে যুক্ত করে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির চাপ বাড়ানো প্রয়োজন। 

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান শেষ পর্যন্ত সীমান্তের ওপারেই। বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে যে মানবিক ও অর্থনৈতিক বোঝা বহন করছে, তা অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে রোহিঙ্গাদেরও শরণার্থী হিসেবে অনির্দিষ্টকাল ক্যাম্পে বসবাসের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তাই মিয়ানমারের প্রতি এখন সবচেয়ে বড় বার্তা হওয়া উচিত স্বীকৃতি যথেষ্ট নয়, প্রত্যাবাসনের বাস্তব পদক্ষেপ চাই। নিরাপত্তার অজুহাতে অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা নয়; নিরাপদ পরিবেশ তৈরির দায়িত্বও মিয়ানমারকেই নিতে হবে।

কারণ প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দেয়ার মধ্য দিয়ে মিয়ানমার একটি দরজা খুলেছে। এখন সেই দরজা দিয়ে বাস্তবে মানুষ নিজ দেশে ফিরতে পারবে কি না, সেটিই নির্ভর করবে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর চাপের ওপর।

আ.দৈ/আরএস





Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝