রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি
সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন
ইসমাঈল হুসাইন ইমু
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৯:২৯ পিএম   (ভিজিট : ৫৭)
X

দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হলেও কোন অবস্থায় তা স্বাভাবিক করতে পারছেনা সরকার। একের পর এক খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি, এমনকি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুধু পুলিশের পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনেক কারণ জড়িত। তবে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের ছাড় না দিতে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং পুলিশকে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতা এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শীর্ষ অপরাধীদের মুক্তি ও দেশে ফিরে আসা সহিংসতা বাড়ার মূল কারণ। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন রাজপথে এসে ঠেকেছে। ক্ষমতার লড়াইয়ে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ফলে দেশজুড়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটছে।

জানা গেছে, রাজধানীর আদাবরে চাপাতি ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় অপরাধীদের ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা চাপাতির আঘাতে জখম হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার আদাবরের ডেল্টা গার্মেন্টসের পেছনে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালালে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি করলে দুই ছিনতাইকারী গুলিবদ্ধ হয়। আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে আদাবরে চাপাতি ঠেকিয়ে দোকানে ঢুকে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। 

পরে দুপুরে আদাবরের ডেল্টা গার্মেন্টসের পেছনে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় ছিনতাইকারীর চাপাতির আঘাতে আমি ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরুণ আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের ৭ নম্বর সড়কে বিকাশের দোকানিকে কুপিয়ে তিন লাখ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় কিশোর গ্যাং কবজি কাটা গ্রুপ। ভুক্তভোগী শফিকুলের স্বজন মো. মুসলিম বলেন, আমার ভাই বাসা থেকে নগদ তিন লাখ টাকা নিয়ে দোকানে আসে।

 সে দোকান খুলে বসা মাত্রই ৪ থেকে ৫ জন চাপাতি হাতে দোকানে আসে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার ডান হাতে কোপ দিয়ে টাকা ও বিকাশ ব্যবহার করার মোবাইল নিয়ে যায়। কবজি কাটা গ্যাংটি আদাবর ১০, ১৭, শ্যামলী হাউজিং, তুরাগ হাউজিং এবং মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান, নবীনগর, চন্দ্রিমা হাউজিংসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও দখলের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ১০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। মোট ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের ঠিক পরপরই, অর্থাৎ মার্চ মাসে ৩১৭টি, এপ্রিলে ২৮৮টি ও মে মাসে ৩১০টি মামলা দায়ের হয়েছে। ২০২৫ সালের একই তিন মাসে ৯৯৩টি মামলা হয়েছিল, তবে এর মধ্যে ২২৬টি ছিল আগের ঘটনার জের। ফলে তুলনামূলক প্রকৃত সংখ্যাটি ছিল ৭৬৭। 

অন্যদিকে ২০২৪ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৭৯৪। চলতি বছর এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ২০৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা রেঞ্জে। এরপর চট্টগ্রামে ১৮৬টি, রাজশাহীতে ১০৬টি ও খুলনায় ৮৪টি মামলা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই শীর্ষে ঢাকা, যেখানে ৫৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

দিনদুপুরে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্নের মুখে। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসিন্দারা বলছেন, তারা মোটেও নিরাপদ বোধ করছেন না। খুন, গোলাগুলি আর ছিনতাই নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ নিরাপত্তা চায়, কিন্তু বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। গত শনিবার চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার এক জনাকীর্ণ বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি অটোরিকশায় করে পাঁচ থেকে সাতজন সশস্ত্র ব্যক্তি এসে খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা এখন রাউজানকে ‘সন্ত্রাসের জনপদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে কেবল রাউজানেই অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮টি মৃত্যুই রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ ৩৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই বিএনপির নেতা-কর্মী। যদিও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে সব নিহতের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করেনি।

অন্যান্য জেলাগুলোর মধ্যে গত শুক্রবার খুলনায় এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এছাড়া রোববার খুলনা শহরের দৌলতপুরে ফজর নামাজের সময় মসজিদের ভেতর সন্ত্রাসীরা গুলি চালালে দুই মুসল্লি আহত হন। একই দিন ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’ কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার মাত্র এক মাসের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে দেশজুড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে তা অপরাধ দমনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না বলে মনে করেন অপরাধবিজ্ঞানীরা।

টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওমর ফারুক সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এর পেছনে পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠন না করাকে দায়ী করেন তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, থানা থেকে লুট হওয়া এক হাজারেরও বেশি অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানও অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ৫ আগস্টের পর মুক্তি পাওয়া অনেক অপরাধী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে এসব অস্ত্র ব্যবহার করে অপরাধ ঘটিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নমনীয় অবস্থানের সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। তাদের ধারণা, অপরাধ করলেও সহজে পার পাওয়া যাবে। 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে অপরাধীদের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ রয়েছে। স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের উদ্যোগ রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে ভেস্তে গেছে। ফলে পুলিশের জবাবদিহিতা ও পেশাদারত্বের জায়গাটা উন্নত হয়নি। রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বেশ কয়েকজন কুখ্যাত গ্যাং লিডার ও দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী কারাগার থেকে জামিনে বা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসায় সহিংসতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, এই অপরাধীরা তাদের হারানো সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধার ও পুরোনো শত্রুতার জের মেটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। মুক্ত বা ফিরে আসা শীর্ষ অপরাধীদের মধ্যে অন্যতম ‘কিলার আব্বাস’, সুইডেন আসলাম, ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে ‘পিচ্চি হেলাল’, সানজিদুল ইসলাম ইমন, খোরশেদ আলম ওরফে ‘ফ্রিডম রাসু’, মোল্লা মাসুদ ও টোকাই সাগর। 

২০০১ সালের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় থাকা হাজারীবাগের ইমন ও মোহাম্মদপুরের পিচ্চি হেলালের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা রয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল নিউ মার্কেটের কাছে ইমনের ভগ্নিপতি টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার পরিবার এ হত্যার জন্য হেলালকে দায়ী করলেও হেলাল পাল্টা অভিযোগ করেন, এর পেছনে ইমনের সহযোগীরাই জড়িত। 

এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে এলিফ্যান্ট রোডে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে হেলালের ভাই ওয়াহেদুল হাসান দীপুর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে ইমনের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এছাড়া গত ১০ নভেম্বর ঢাকার আদালত পাড়ার কাছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গোয়েন্দাদের ধারণা, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইমনের সাথে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ২৮৯ জন আহত (১১ জন গুলিবিদ্ধ) হয়েছেন। এপ্রিল মাসে ৯৮টি ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ৫৩৩ জন আহত (৩৭ জন গুলিবিদ্ধ) হয়েছেন। মার্চ মাসে ১১৩টি ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৯১২ জন আহত (১৫ জন গুলিবিদ্ধ) হয়েছেন। সংগঠনটির মতে, এসব ঘটনার বড় অংশেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়িত ছিলেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রাউজানে গত ২৬ এপ্রিল বিএনপি কর্মী নাসির উদ্দিন নিহত হন। 

এর দুদিন আগে ২৪ এপ্রিল নিহত হন বিএনপি নেতা কাউসারুজ্জামান। ২ এপ্রিল পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। খুলনায় গত ৫ মার্চ রূপসা শ্রমিক দলে সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ গুলিতে নিহত হন। আর ১৪ মার্চ বাগেরহাটে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেলকে হত্যা করা হয়। এছাড়া গত ১ জুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মহব্বত হোসেন ও ইউনুছ আলী খুন হন। 

বিএনপির স্থানীয় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত হন এ দুই ভাই। সব মিলিয়ে দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অস্বস্তি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয়তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অপরাধীদের ভয়ে এগিয়ে আসছেন না সাধারণ জনগণও। এতে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও ক্ষোভ দুটোরই প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পুলিশ সদর দপ্তরের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের জড়তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। প্রতিটি ঘটনার তদন্তে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং ইতিবাচক ফলও পাওয়া যাচ্ছে। অতীতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অপরাধীরা বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থার ভয় পেত। বর্তমানে পুলিশ মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে কাজ করছে। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুধু পুলিশের পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। 

এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনেক কারণ জড়িত। তবে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের ছাড় না দিতে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং পুলিশকে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আ.দৈ/আরএস



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝