গুটিকয়েক মানুষ পুরো মিরপুরবাসির কষ্টের করণ হতে পারে না : ডিএনসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান মিলটন বলেছেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করার পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা মেনে নেয়া হবে না।
আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনী খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন। প্রশাসক বলেন, অবৈধভাবে যারা সরকারি খালের যায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদেরকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে ওইসব স্থাপনা অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনিভাবে ব্যবস্থাগ্রহণ এবং উচ্ছেদ অভিযান চলবে।
পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেঃ জেনাঃ সৈয়দ রাকিবুল হাসান. পি.এস.সি, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (সরকারের উপসচিব) মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আরিফুর রহমান, উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মফিজুর রহমান ভুঁইয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) অতিরিক্ত দায়িত্ব মোঃ কামরুল হাসান, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ বেনজীর আহমেদ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক বলেন, আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যাতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা একাধিকবার খালটি পরিষ্কার করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই আমরা বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।”প্রশাসক আরো বলেন, খাল উদ্ধারের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে হলে খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। অবৈধ দখলদারদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে সরকারি বা সংস্থার জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে সেটির দায় তাকেই নিতে হবে।”
প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা এখানে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার করেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।” তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কেউ সময় চাইলে আলোচনার মাধ্যমে তা বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
আ. দৈ./কাশেম




















