রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পলাতক ফ্যাসিস্টদের ভীড় মদের বারে
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩০ পিএম  আপডেট: ২৯.০৪.২০২৬ ২:২৫ এএম  (ভিজিট : ৭৮৬)
X

মাদকদ্রব্য নিয়ত্রন অধিদপ্তরের তথ্য মতে ঢাকা শহরে ছোট বড় সবমিলিয়ে ১৮৩ টি মদের বার ও ক্লাব রয়েছে।  ক্লাবগুলো রাত ১২ টার মাঝে বন্ধ হলেও একটু অভিজাত শ্রেনীর বার গুলো চলে ভোর রাত পর্যন্ত। 

বিশেষ করে রেডিসন ব্লু, হোটেল রিজেন্সী, লা মেরিডিয়ান, হোটেল ফার্স, হোটেল ৭১ সহ অন্তত ৫০ টি বার নিয়ম নীতি তোয়ক্কা না করে ভোর রাত পর্যন্ত চলে।  বিগত ১৫ সপ্তাহে এই প্রতিবেদক অন্তত ৩০ বারে গিয়ে প্রত্যেকটিতে অন্তত ১০-২০ জন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখা পেয়েছে থ্রিস্টার থেকে ০৫ ষ্টার মানের হোটেল গুলিতে।

তাদের বেশীরভাগই দলবেধে আড্ডা মারা এবং সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে, নেশা বেশী হয়ে গেলে রাতের রানীদের নাচ গান দেখে আয়েশী সময় কাটায় যদিও তারা পুলিশের খাতায় পলাতক। 

বিশ্বস্ত সুত্রে জানাগেছে ডিজিএফআইয়ের  সাবেক মিডিয়া পরিচালক বিগ্রেডিয়াজেনারেল তোফায়েল এবংডিবি হারুনের মালিকানাধীন এফডিসি মোড়ে হোটেল হলিডে দুনীতি বাজ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বাহিনীর অফিসারা বসে সরকারকে উৎখাতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন ।

আর রেষ্টুরেন্ট নামীয় বারগুলোতে থাকে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থেকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানদের আড্ডা। রাজধানী উপ-কন্ঠ ডেমরার হলদি রেষ্টুরেন্ট প্লাস বার এ দেখা মেলে কিশোরগেন্জের মিঠামইন উপজেলার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনের সাথে।

কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান ২৪ এর আগষ্টের পর থেকে বাড়ী ফিরতে পারেন নাই, তার নামে ঢাকা কিশোরগন্জ মিলে ১১ টি মামলা তাই দিনে তিনি ঘর থেকে বার হতে পারেন না, রাতে হতাশা কাটাতে ও রাতের রানীদের সঙ্গপেতে নিরাপদ আশ্রয় ভেবে রাজধানীর বার গুলো তে যান।

এখানে আসলে অন্য নেতাদের সাথে দেখা হয় এবং ২০০০-৫০০০ টাকা খরচ করলে মিলে যায় নারী সঙ্গ। রাজধানীর উত্তরায় হাইকোর্টের রায়ে সম্প্রতি স্থানান্তর করা একটি বারে দেখা মেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার  উপজেলা চেয়ারম্যানে ও তার সঙ্গ পাঙ্গদের।  

তার সাথে থাকা সবাই ০৫-০৭ করে মামলার আসামী এবং পুলিশের খাতায় পলাতক। কিন্তু সবাই মদ খেয়ে বুনো উল্লাসে রাতের রানী শরীরে ছিটালো লক্ষাধিক টাকা। তাদের মনোরন্জনে যে আয়োজক রয়েছে সে পূর্বে ঈসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ঘনিষ্টজন ছিলো। সম্রাটের প্রভাবে আয়োজক মোখলেস ঢাকা শহরে অন্তত ০৭ অবৈধ বাড়ীর মালিক। 

মোখলেস এখন বিএনপি নেতার মালিকানাধীন বার এ আয়োজক হিসেবে কাজ নিয়েছে শুধু আওয়ামী পলাতক  নেতাদের সেবা করার জন্য। আওয়ামী লীগ নেতারাও এখানে নির্ভয়ে আসে কারন এখানে পুলিশের হানা পড়বে না। 
উত্তরার সব কয়টা মদের বারের চেয়ে বিএনএস সেন্টারের এই মদের বারের মদ এর দাম কিছু টা বেশী হলেও আওয়ামী পলাতক আসামীরা এখানেই বেশী বসে শুধুমাত্র নিরাপত্তার জন্য।

যেহেতু বিএনপি নেতার বার তাই মোখলেস অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং পারমিটবিহীন শতাধিক নারী কে দিয়ে ভোর ০৬ পর্যন্ত এই ব্যবসা চালাচ্ছে দেদারসে। জনমনে প্রশ্ন তবে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সব জেনেও নিরব কেন?

আ.দৈ/আরএস



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝