রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফ্যাসিস্ট সরকারের আইজিপি বেনজীরের দেশ বিদেশে সম্পদের দেখাশুনায় ডিসি রাজিব ও পরিদর্শক রুমি
সাবেক আইজিপি বেনজীরের পিএস ডিসি রাজিব ও পরিদর্শক রুমি এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে
আবুল কাশেম:
প্রকাশ: রোববার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম  আপডেট: ১৯.০৪.২০২৬ ৬:৪৭ পিএম  (ভিজিট : ১১১)
X

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অস্বাভাবিক ক্ষমতাবান সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার সহযোগি উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি ডিবি) রাজিব আল মাসুদ এবং পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেল এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছেন। এরমধ্যে বেজীব আহমেদ দেশ থেকে বিদেশে পালিয়ে গেলেও ডিসি ডিবি রাজিব আল মাসুদ প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ তিনি ৪/৫ টি হত্যা মামলার আসামি। রাজধানীতে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও  প্রশাসন নিরব।

 একই ভাবে আরেকে অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেলও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন। এমনকি দুদকের তদন্তেও এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের অভিযোগের তদন্তে কোন অগ্রগতি নেই। শুধু তাই নয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের অভিযুক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তারা এবার বিএনপির সহানুভূতি পাবার চেষ্টায় আছেন।

এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ‘আজকের দৈনিক’ পত্রিকাকে জানান,ডিসি রাজিব আল মাসুদ অনেক ক্ষমতাবান। পুলিশ প্রশাসনকে তিনি ম্যানেজ করেই গোপনে অফিসে আসেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন চলে যান। অথচ তার বিরুদ্ধে ৪/৫ টি হত্যা মামলা রয়েছে। ওইসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে ধীর গতিতে। আরো অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,আইজিপির দপ্তার, ডিএমপি এবং একাধিক মন্ত্রী ও এমপির সাথে রয়েছে ডিসি রাজিব আল মাসুদের গোপন সম্পর্ক। যারফলে তার বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা কিংবা তাকে গ্রেপ্তার করার সাহস পাচ্ছে না পুলিশ প্রশাসন।

অথচ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের বেশ কিছু হত্যা. খুন,গুম এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক ও বর্তমান প্রভাবশালী  বেশ কয়জন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তার বিষয়ে কেনো প্রশাসন নিরব, এটা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ও পুলিশের প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাবেক আইজিপি বেনজীরের নির্দেশনায় ডিসি ডিবি (মতিঝিল) রাজীব আল মাসুদ অনেক নিরীহ মানুষের ওপর অমানবিক নির্যাতন করতেন। তার বিরুদ্ধে বেশ  কয়টি হত্যা,গুম ও অপহরণের মাধ্যমে অবৈধভাবে শত শত কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।তিনি সাবেক আইজিপি বেনজীরের ব্যক্তিগত সহযোগি (পিএস) হিসেবে অন্যায়ভাবে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার করতেন।

 তিনি মতিঝিল জোনের ডিসি হিসেবে পুরো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ছিলেন। অনেক ব্যবসায়ী এবং ধনাঢ্য লোকজনকে ধরে এনে নির্যাতনের করতেন এবং কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর জমি, পার্ক, বাড়ি, প্লট এবং ফ্ল্যাটের মালিক সাবেক আইজি বেনজীর এবং ডিসি ডিবি রাজিব আল মাসুদ। ওইসময় তিনি সাবেক আইজিপি বেনজীরের যাবতীয় সম্পদ দেখবালের দায়িত্ব পান করেছেন।

শুধু তাই নয়,সাবেক আইজিপি বেনজীরের সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জায়গা সম্পদ রক্ষণা বেক্ষণের করতে ডিসি রাজিব আল মাসুদের কথিত ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে কাজ করেছেন আরেক দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেল। সাবেক আইজিপি বেনজীর ক্ষমতার পাশাপাশি নিজেদের প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিসি রাজিব আল মাসুদ এবং রুমি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। তারা দিনকে রাত আর রাতকে দিনে পরিনত করেছেন। দেশের বাইরেও সাবেক আইজিপি বেনজীরের কয়েক শত কোটি টাকার সম্পদ পাচার ও রক্ষণা বেক্ষণ করছেন তারা। একই সাথে নিজেরা কয়েক শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনেক অভিযোগ রয়েছে।

 সূত্র মতে, এদিকে ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে ডিএমপির একাধিক থানা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুানালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় কয়েক ডজন খানিক মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শত শত কোটি টাকা স্থাবর- অস্থাবর সম্পদ অর্জন এবং দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে একাধিক বাড়ি-গাড়ি,ফ্ল্যাটের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক।

 ইতোমধ্যে দুদকের পক্ষ শুধুমাত্র সাবেক আইজিপি বেনজীরও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরো বেশ কিছু অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে বেনজীরের সহযোগি ডিসি রাজিব আল মাসুদ এবং এই রাজিবের কথিত পিএস পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেল এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছেন। তবে পুলিশ প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার সহযোগিতায় গোপনে ডিসি রাজিব আল মাসুদ ‘ওএসডি’ থাকায় পুলিশ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অফিসের এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান বলে খবর পাওয়া গেছে।

আরো অভিযোগ রয়েছে, ২০০৩ সালে পুলিশের চাকরিতে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে যোগ দেন রুমি কাওসার ওরফে রুবেল। ২০১০ সালে পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ডিএমপি কমিশনার হলে ভাগ্য বদলে যায় কাওসারের। তার সান্নিধ্যে এসে রাতারাতি ‘টাকার কুমির’ হয়ে যান। রাজধানী ঢাকায় একের পর কিনতে থাকেন জমি ও প্লট। তৈরি করতে থাকেন বিশাল বিশাল অট্টালিকা। ২০২২ সালে বেনজীর অবসরে যাওয়ার পর পাঁচ বছরের ছুটিতে চলে যান বর্তমানে এ ট্রাফিক পরিদর্শক। এর আগে তার একাধিক ভিডিও পাওয়া গেছে। তাতে তিনি নিজেই বলছিলেন, ‘পুলিশের চাকরি হলো সাইনবোর্ড, জমির ব্যবসাই আমার আসল।’

রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী, দক্ষিণ বনশ্রী, আফতাবনগর, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় রুমি কাওসারের কয়েকটি জমি ও বাড়ি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কিছু জমিতে ভবন করার পর ফ্ল্যাট বা শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে মালিকানা হস্তান্তর করেছেন তিনি। রুমি কায়সারের বেশিরভাগ ভবনের ফ্ল্যাটের ক্রেতাই পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা। কিছু ভবনে নিজের ভাই, বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনের নামে মালিকানা দেখিয়ে ওই অংশগুলো মূলত নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন।

এদিকে দুদকের চেয়ারম্যানের দপ্তরে দায়ের হওয়া এক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বেনজীর চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পরপরই চাকরি থেকে পাঁচ বছরের ‘ছুটি’ নেন কাওসার রুমি। এর মধ্যে প্রায় তিন বছর শেষ হয়েছে। এই তিন বছরের প্রায় পুরো সময়টা তিনি ছিলেন দুবাইয়ে। সেখানে বেনজীরের সম্পদ ও ব্যবসা দেখাশোনা করেন বলেও জানা গেছে। যদিও তার পাঁচ বছরের ছুটি পাওয়াটাও ছিল বিধিবহির্ভূত। কারণ পুলিশের চাকরিতে এত লম্বা সময় ছুটি নেওয়া বা দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার দক্ষিণ বনশ্রীর এন ব্লকে ৬ নম্বর রোডের ১৩৭/৭১ প্লটে (কাজী বাড়ির পাশে) বিশাল আয়তনের ১৪ তলা ভবনের মালিক। এই ভবনের নাম রেখেছেন ‘টিএনটি টাওয়ার’। এই টাওয়ারে রুমি কাওসারের আছে ২৪টি ফ্ল্যাট। অন্য ফ্ল্যাটগুলো তার বন্ধু সাইফুলের। এই সাইফুলের মাধ্যমে তিনি দুবাইয়ে টাকা পাচার করে গড়ে তুলেছেন ব্যবসা। এদিকে টিএনটি টাওয়ারের ঠিক সামনে তিন কাঠা অর্পিত সম্পত্তি দখল করে সেখানে তিনটি দোকান ভাড়া দিয়েছেন রুমি। এর মধ্যে একটি দোকান দিয়েছেন টিএনটি টাওয়ারের পঞ্চম তলার বাসিন্দা পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত নাসির উদ্দিন। একটি ভাড়া নিয়েছেন রুমির ব্যক্তিগত গাড়ির চালক।

রামপুরা বনশ্রীর ই-ব্লকের ৬ নম্বর রোডের ১৯ নম্বর বাড়িতে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে থাকেন রুমি কাওসার। এ বাড়ির সাইনবোর্ডে লাগানো নাম ‘মৈত্রী’। বাড়ির কেয়ারটেকার জানান, ‘এটি রুমি সাহেবের বাড়ি।’ রুমি সাহেব এখানে থাকেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ স্যার এখানেই থাকেন। স্যারের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে ফোন দেন।’

রামপুরা বনশ্রীর এম ব্লকের ১২ নম্বর রোডে ৬৬ কাঠা জামির ওপর রুমি কাওসার নির্মাণ করছেন পাঁচটি বহুতল ভবন। সরেজমিন দেখা গেছে, জমিটিতে ভবন নির্মাণকাজ চলছে। জমির সামনের সাইনবোর্ডে লেখা ‘এমআরটি কনডোমিনিয়াম’।  রুমির এ প্রকল্পটি দেখাশোনা করেন মিজান নামে একজন। মোট পাঁচটি ভবন নির্মাণ হবে জানিয়ে তিনি বলেন,এরই মধ্যে চারটি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। প্রথম ভবনটি হবে ১৬ তলা, দুটি ১৪ তলা আর দুটি হবে ১২ তলা করে।

 একই এলাকায় থাকা পুলিশ পার্ক সাইনবোর্ড থাকা জমিটিও তার। এটি তিনি পরে পুলিশের কাছে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া রাজধানীর আফতাব নগরের এম ব্লকে ৯ কাঠা জমির ওপর বাংলো বাড়ির মালিক রুমি কাওসার। একই এলাকার আনসার ক্যাম্পের পাশে দুটি বহুতল ভবনের মালিকানাও ছিল তার। পরে ফ্ল্যাট আকারে এগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। মধ্যবাড্ডার বৈঠাখালীতেও ৬ তলা ভবন নির্মাণ করে ১৮টি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন তিনি। এভাবে নিজের সম্পদের পরিমাণ ঢাকতে কিছু জায়গায় রুমি সম্পদের মালিকানা হস্তান্তর করেছেন। সে টাকা আবার দুবাইয়ে পাচার করে সেখানে ব্যবসা গুছিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, মেরাদিয়া বাজার থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার মেইন রোডের পাশে রুমি কাওসারের বেশ কিছু সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো সাউদার্ন পার্ক-১। এটিও বিশাল আয়তনের বহুতল ভবন। খিলগাঁও থানার মমিনবাগ মেইন রোডের সঙ্গে আছে সাউদার্ন পার্ক-২। পানির পাম্পের পাশে ৯ কাঠা জমির বহুতল ভবন করছেন। দ্বিতীয় তলার কাজ শেষ হয়েছে। সাউদার্ন পার্ক ৩, ৪, ৫, ৬ প্রকল্প রয়েছে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রোডে। এই প্রকল্পগুলো শেখের জায়গার আগে। শেখের জায়গার আগেই ৮০ কাঠা জমির ওপর ‘স্বাধীনতা টাওয়ার’। এটিও নির্মাণ করছেন রুমি কাওসার। এসব প্রকল্পে রুমি কাওসার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে শেয়ার বিক্রি করে মালিকানায় যুক্ত করেছেন। জানা গেছে, রুমির সব সম্পদের দেখভাল করেন রুমির আপন ছোট ভাই মো. রাকিব। তিনি টিএনটি টাওয়ারের ১০ তলায় থাকেন।

দুবাইয়ে কাওসার রুমির গার্মেন্টস ও আবাসন ব্যবসা রয়েছে। দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করে সেখানে গড়ে তুলেছেন আরেকটি সাম্রাজ্য। পুলিশের চাকরি থেকে ছুটি নিয়ে আগে থেকে দুবাইয়ে পাচার করে রাখা অর্থে সেখানে ব্যবসা গুছিয়েছেন। দুবাইয়ের এসব প্রকল্পে তার নিয়মিত যাতায়াত। ছুটিতে থাকার সময় নিজেই তদারকি করতেন। অন্তত ৩টি বড় বড় আবাসন প্রকল্পে ও গার্মেন্টস খাতে বিনিয়োগের রুমি কাওসারের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে অনুসন্ধানে।

পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেল এর বিরুদ্ধে ঘোরতর অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।
পুলিশ পরিদর্শক রুমি কাওসার ওরফে রুবেল, পিতা: ওমর ফারুক, স্থায়ী ঠিকানা: পটুয়াখালী, বরিশাল এর বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

তিনি ২০২২ সালে পাঁচ বছরের ছুটিতে যান,যা সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী বিধিবহির্ভূত। ছুটি চলাকালীন সময় তিনি দীর্ঘদিন দুবাই ও সিঙ্গাপুরে অবস্থান করেন, যেখানে তিনি এবং তার প্রভাবশালী ‘পৃষ্ঠপোষক’ বেনজীর আহমেদের বিভিন্ন ব্যবসা ও সম্পদ দেখভাল করেছেন বলে জানা যায়। ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি চাকরিতে পুনরায় যোগদান করেন। চাকরির সুবাধে পুলিশ প্রশাসনের এই ৩ কর্মকর্তার দাপট এবং সম্পদেও বিষয়টি রুপকথার গল্পকেও হার মানায়। এতো কিছুর পরও সরকার এবং প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে জোরালো কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

আ. দৈ./কাশেম



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝