রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:৩৬ পিএম   (ভিজিট : ১৮৪)
X

কিশোরগঞ্জে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদসহ ১২৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০-২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তহমুল ইসলাম মাজহারুল (২৭) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করেন। মামলার আসামিদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ওবায়দুল কাদেরের নামও রয়েছে।

ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলি করার ঘটনায় করা এ মামলার বাদী তহমুল ইসলাম মাজহারুল (২৭) নামের এক যুবক। তহমুল ইসলাম মাজহারুল কিশোরগঞ্জ সদরের উত্তর লতিবাবাদ এলাকার বাসিন্দা। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী। আন্দোলনের সময় তিনি আহত হয়েছিলেন।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জেলায় এ পর্যন্ত অর্ধশত মামলা হলেও এই প্রথম কোনো মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আবদুল হামিদ ৩ নম্বর আসামি। ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে শেখ হাসিনাকে, ২ নম্বরে আছেন শেখ রেহানা। আবদুল হামিদের নামের বানান আবদুল হামিদ (৮০) লেখা হয়েছে। পিতার নাম মো. তায়েব উদ্দিন ও সাং জেলার মিঠামইনের কামালপুর উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়কে। 

৫ নম্বর আসামি সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং ৬ নম্বর আসামি রাদওয়ান সিদ্দিক ববি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, হাসান মাহমুদ, তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, আলী আরাফাত, শামীম ওসমান, নাজমুল হাসান পাপনসহ ১২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তা ছাড়া আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গড়ে ওঠা আন্দোলনকে দমন করতে দেশ-বিদেশে অবস্থান করা ১ নম্বর থেকে ২০ নম্বর আসামি সারা দেশে গণহত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই মোতাবেক তাঁরা কিশোরগঞ্জে যাতে কোনো আন্দোলন হতে না পারে, সে জন্য ২১ থেকে ৪০ নম্বর আসামিদের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য ৪১ থেকে ১২৪ নম্বর আসামিরা শটগান, বন্দুক, পিস্তল, ককটেল, বোমা ও দেশীয় অস্ত্র এবং অর্থ সরবরাহ করে আন্দোলন দমাতে এবং গণহত্যার নির্দেশ দেন। 

গত বছরের ৪ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের স্টেশন রোড এলাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে আসামিরা হামলা চালান। তাঁরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে মামলার বাদীসহ সাক্ষীদের আহত করেন। এ ছাড়া আসামিরা গ্রেনেড, ককটেল ও বোমা নিক্ষেপ করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেন।
মামলার বাদী তহমুল ইসলাম মাজহারুল বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। 

আহত অবস্থায় দীর্ঘদিন ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি এখন কিছুটা সুস্থ হওয়ায় মামলা করেছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার মামলাটি করা হয়েছে। তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আ. দৈ./আরএস


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝