রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলায় দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ পিএম  আপডেট: ০২.০৯.২০২৬ ৯:৩৮ পিএম  (ভিজিট : ২৩)
X

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার দুই অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. জাহিদুজ্জামান ও মো. শাহীন আলমের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছে ইন্টারপোল। গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল এই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পৃথক রেড নোটিশ জারি করে।

আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পলাতক দুই অভিযুক্তকে আন্তর্জাতিকভাবে শনাক্ত ও তাদের অবস্থান নির্ণয় এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী গ্রেফতারের লক্ষ্যে পিবিআইয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ পুলিশের এনসিবি-ঢাকা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেয়। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র যাচাই শেষে গতকাল মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পৃথক রেড নোটিশ জারি করে ইন্টারপোল।

তদন্তে পাওয়া তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এই দুজনকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দিলে তাদের নমুনা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বর্তমানে তাদের অবস্থান অজ্ঞাত, তারা পলাতক রয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অভিযুক্ত মো. জাহিদুজ্জামান ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে সার্জেন্ট এবং শাহীন আলম সৈনিক ছিলেন। 

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে। তিনি কুমিল্লা কারাগারে রয়েছেন। হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় হাফিজুর কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে এক বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। পরদিন তার বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

এরপর ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়ার তথ্য জানায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন।

আ. দৈ./ একে


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝