বেবিচকের তত্বাধায়ক প্রকৌশলীর পিতার নাম মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে পেয়েছে তদন্তকারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিতর্কের মুখে পড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ( বেবিচক) তত্বাধায়ক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের পিতার নাম মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে পেয়েছে তদন্তকারীরা।
গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় শরিফুল ইসলামের পিতা মোশারফ হোসেনের নাম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অতি সম্প্রতি বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে পড়েন তত্বাবাধায়ক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম। এ নিয়ে ত্রিমুখী তদন্তের মুখে পড়েন তিনি।
এমন অভিযোগের পর পত্র পত্রিকায় লেখা শুরু হলে তদন্ত হয়। তদন্তকারীরা বলছেন, শরিফুল ইসলামের পিতা মোশারফ হোসেন গেজেটেডভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। তদন্তে সেটিই উঠে এসেছে। সুতরাং বাবার সার্টিফিকেট নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল তা সত্য নয়।
বেবিচকের সদস্য ( প্রশাসন) অতিরিক্ত সচিব এস এম লাবলুর রহমান বলেন, গুরুতর এ অভিযোগটি আমরা খতিয়ে দেখেছি। তদন্তে দেখা যাচ্ছে তার পিতা গেজেটেডভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার যে অভিযোগ তা সত্য নয়।
এদিকে এ বিষয়ে প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, তার বাবা প্রকৃত এবং গেজেটেডভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমি এর স্বপক্ষে সকল কাগজপত্র সরবরাহ করেছি। তাতেই প্রমান হয় আমার পিতা একজন গেজেটেডভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়াও আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে লেখালেখি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
অন্যদিকে গোপলগঞ্জে শরিফুল ইসলামের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ মানববন্ধন করা হয়েছে। মানববন্ধনে ওই এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন। রবিাবর সকালে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়।
আ.দৈ/আরএস




















