নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৯ রোহিঙ্গা আটক
নাইক্ষংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। এ ঘটনায় কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে।উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় টহল পরিচালনার সময় সন্দেহজনক গতিবিধির ভিত্তিতে ৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে জারুলিয়াছড়ি বিওপির একটি টহল দল। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতের দিকে সীমান্ত পিলার ৪৭/১-এস সংলগ্ন এলাকায় পুনরায় অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানের সময় টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া তিনটি কার্টুন তল্লাশি করে ২৯ হাজার ৯৭৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ২৯ হাজার ৬৭৫ পিস এবং সবুজ রঙের ৩০৩ পিস ইয়াবা ছিল।
আটকরা হলো, আব্দুর রফিক (৩০), নুর মোহাম্মদ (২৮), শহিদুল আমীন (১৯), নুর মোহাম্মদ (৩০), ইকবাল হোসেন (৩০), খালেক হোসেন (৩৩), আহসান হাবিব (২৪), আরব (২০) ও হাসোন আলী (২৬)। তারা সবাই কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চক্র সীমান্ত পথে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের কারণে একের পর এক মাদকের চালান আটক হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে।
তিনি আরো বলেন,আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দ ইয়াবাসহ তাদের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হবে।
আ.দৈ/আরএস




















