শিশু রামিসার হত্যাকারী সিংড়ার সোহেলের গল্প
কাউসার হাবিব, নাটোর

জুয়া খেলে ৮ লাখ টাকা ঋণ করার কারণে পিতা- জাকির আলী বাড়ি থেকে বের করে দেয় রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসার হত্যাকারী সোহেল রানাকে। বাড়ি থেকে তিন বছর আগে বের করে দিলেও, নাটোরের সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর দক্ষিণপাড়ার বাড়িতে আর ফিরেনি সোহেল রানা।
সে সময় মহেশচন্দ্রপুর বাজারে সাইকেল মেকানিক্সের কাজ করে সংসার চালালেও জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন এলাকার বিভিন্ন অপকর্মে। খেয়েছেন একাধিক চুরির মামলাও।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকারী সোহেল রানা গ্রেফতার হওয়ার পর তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর দক্ষিণপাড়ায় চলছে নানা আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সোহেল রানার নৃশংসতা দেখে হতবাক তার গ্রামের মানুষরা। সে সাথে দৃষ্টান্তমুলক শ্বাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোহেল রানার বোন জলি বেগম জানান, ৩ বছর আগে নানা অপকর্ম সহ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ করার কারণে পিতা জাকির আলী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
এরপর সে আর কখনও বাড়িতে ফিরে আসেনি বা যোগাযোগ রাখেনি। তাছাড়া প্রথম স্ত্রীকে ১২ বছর পূর্বে ৮ মাসের শিশু ছেলেকে রেখে তালাক করেন। তারপর দ্বিতীয় বিয়ে করে সিংড়া বালুয়া বাসুয়া এলাকায়। এরপর থেকেই ঢাকায় থাকতেন তার ভাই। তবে হঠাৎ করে বিভিন্ন জায়গায় তার ভাইয়ের ছবি দেখে তারাও হতবাক হয়ে পড়েছেন।
আ.দৈ/আরএস




















