বান্দরবানে আগুনে পুড়ল অর্ধশত দোকান ও বসতঘর
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দেবানের সদর উপজেলার বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ৫০টি দোকানপাট ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েগেছে। এতে প্রাথমিকভাবে অন্তত দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার (১৭ মে) ভোর ৪টায় সময় সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে এঅগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এদিকে খবর পেয়ে অগ্নিকান্ডে ঘটনাস্থল ছুটে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, রোববার ভোর রাতে হঠাৎ বাজারে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে অধিকাংশ দোকান ও বসতঘরে দাহ্যসামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ রুপ নেয়।
খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাজারের ৫০টি দোকান ও বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাযীরা জানান, আগুনে তাদের দোকানের মালামাল পুড়ে যাওয়ায় তারা পুরো নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হতে পারে।
জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য সিং শৈ মারমা বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের কাছ থেকে জেনেছি বাজারের পেছনের একটি দোকান থেকে সম্ভবত বিদ্যুৎ শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সুত্রপাত হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০টি দোকাননও বসতঘর পুড়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরুপন করা হয়নি, বলে জানান তিনি।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন - আগুনের খবর পেয়ে চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
দুর্গম এলাকা হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তদন্তের পর আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাঘমারা বাজার পুড়ে গিয়েছিল।
আ.দৈ/আরএস/আইজ




















