যথাযোগ্য মর্যাদায় ইবিতে ৫৫ তম মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত
সাকিব আসলাম, ইবি প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ৫৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ যথাক্রমে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে সমবেত হয়।
সেখানে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এসময় সাথে ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে একে একে বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য। এ সময় কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তাঁর সাথে ছিলেন। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, শাখা ছাত্রদল পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার স্বাধীনতার চেতনাকে ধারন করে। স্বাধীনতার চেতনা হলো সাম্য মৈত্রী ও সুবিচার ন্যায় বিচার। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশের গণতান্ত্রিক সরকারের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে যথাযথ সাহায্য করব। আমরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক আপামর পরিবার সকলে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা যেন দেশের মানুষের জন্য কাজ করি। জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে পারি এবং যেন স্বার্থ বা কোন দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে না পড়ি। আমরা যেন ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে বর্তমান সরকারের আহ্বানে এক হয়ে যাই। সর্বশেষ বাংলাদেশের গনতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত জনগনের পক্ষে কথা বলে গেছেন। সেই মহীয়সী মহান নেত্রী বেগম জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এবং আমরা মনে করি বেগম জিয়া তার স্বামীর উত্তরসূরী হিসেবে যে পথ দেখিয়েছে সে পথই বাংলাদেশের রাজনীতির ও গনতন্ত্রের পথ।
উল্লেখ্য, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে এক মিনিট প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট করা হয়। এছাড়া গণহত্যায় নিহত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কুরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়।
আ. দৈ./কাশেম




















