কঠিন সময়ের পূর্বাভাস, তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার ইঙ্গিত: মির্জা ফখরুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে তেলের এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, কঠিন সময়। যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম বেড়ে যাবে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে৷ সেগুলো সয়ে নিয়ে আমাদের আগাতে হবে।’
আজ সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নেহা নদী পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটি দলের নেতারা এবার বেহেশতে নিতে পারল না। আমরা কাজ করে বেহেশতে যাব। ধর্মকে ব্যবহার করা যায় না। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ ধার্মিক, তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। আমরা কাজ করতে এসেছি। কাজ করে যাব।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা মা-বোনদের বেহেশতে নেওয়ার কথা বলে ভুলিয়ে দেয়। এসবে ভুলবেন না। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া বেহেশতে যাওয়া যাবে না। সৎ থাকতে হবে, হালাল রুজি খেতে হবে। না হলে বেহেশতে যাওয়া যাবে না।’ এ সময় সৎ ও ভালোভাবে খাল খননের কথাও বলেন তিনি।
তেল সংকট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ লেগেছে সে কারণে তেলের সরবরাহ কম। কিন্তু পাম্প ভাঙচুর করা সমীচীন নয়। মবকে আমরা কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেব না।’
তিনি বলেন, ‘গম ঝড়-বৃষ্টিতে পড়ে গেছে। আলু বৃষ্টিতে শুয়ে পড়েছে। আমাদের কৃষকের ভাগ্য এটাই। এসব সমস্যা আমরা বুঝি। নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কৃষি ঋণ মওকুফের। আমরা করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সাহায্য হবে এমন কাজগুলো করছেন।’
ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সারাদেশে কয়েক কোটি নারীকে কার্ড দেওয়া হবে। এটার মাধ্যমে তারা সহযোগিতা পাবে। আমাদের সব প্রজেক্ট সম্পন্ন করা হবে। গোটা দেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে।
এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ কর্মকর্তা, বিএনপির নেতারাসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
আ.দৈ/আরএস




















