চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়সহ ৩৯ জনের বিচারে চার্জ গঠন
নিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রকাশ্যে আদালত এলাকায় নির্মমভাবে আঘাত করে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় হিন্দুদেও উগ্রবাদী সংগঠন ‘সনাতনী জাগরণ জোটের’ মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচার কা শুরু জন্য চার্জ গঠন করেছেন চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা মামলায় এই বিচার কাজ শুরু হচ্ছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এ চার্জ গঠন করেন। এ সময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার বলেন, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। মামলার ১৬ জন আসামি এখনো পলাতক।
আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পক্ষে একজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসামিদের পক্ষে একজন আইনজীবী হাজির থাকলেও কারাগারে থাকা ২২ জন আসামির জন্য আগামী ধার্য তারিখে লিগ্যাল এইড অফিস থেকে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি।
চার্জশিটে যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন চন্দন দাশ মেথর, রিপন দাশ, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাশ, আমান দাশ, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাশ, ওমকার দাশ, বিশাল, লালা দাশ, সামীর, সোহেল দাশ, শিব কুমার, বিগলাল, পরাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবী চরণ, দেব, জয়, লালা মেথর, দুর্লভ দাস, সুমিত দাশ, সনু দাস, সকু দাস, ভাজন, আশিক, শাহিত, শিবা দাস ও দ্বীপ দাস।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
পরবর্তী সময় ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে গত ২৫ আগস্ট আদালত চার্জশিটের শুনানি শেষে তা গ্রহণ করেন।
আ. দৈ./কাশেম




















