বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
ই-পেপার

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মেহেরপুরে মাশরুম চাষী শামসুলের আর্থিক সহোযোগিতা প্রয়োজন
মো সুমন আলী ,মেহেরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৯ পিএম  আপডেট: ২০.১১.২০২৫ ৪:৫১ পিএম  (ভিজিট : ১০৫)
X

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদাহ গ্রামের মো শামসুল ইসলাম (৩৫) ও তার  সহধর্মিণী মোছা রেবেকা খাতুন (৩০) মাশরুম চাষ করে এখন আর্থিক সচ্ছলতা না থাকার কারনে  হুমকীর মুখে। এমন অবস্থায় আর্থিক সহযোগিতা না পেলে এখন প্রায় ২ লহ্মধিক টাকা লোকসান হবে। 

শামসুল ইসলাম জানান, আমি একজন গ্রাম্য গৃহপালিত পশু  চিকিৎসা করে থাকি। পাশাপাশি আমি মাএ ৬০০ টাকা পুজি দিয়ে সাড় ৩ বছর আগে থেকে মাশরুম চাষ শুরু করি। এরপর থেকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি।  এটাকে বড় উদ্যগ হিসাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে নিজের জমানো টাকা দিয়ে মাশরুমের সামগ্রী আরো বাড়াতে থাকেন। এখন প্রায় ২ লহ্মধিক টাকা ব্যয় করে এখন তাদের মাশরুম চাষে মেডিসিন,যন্ত্রপাতি,কেমিকেল কেনার মতো পুঁজি না থাকায় মাশরুম চাষ হুমকির মুখে হয়ে পড়ে। 

আরো বলেন, মাশরুম চাষ করতে গিয়ে অনেকে আমাকে নিষেধ করছিলো আমি কারো কথা না শুনে আমার প্রচেষ্টায় চাষ করি।  আজ সাড়ে তিন বছর  বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অনলাইনে পাঠিয়ে আয় করছি। এবং বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ  বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। মাশরুম চাষ করে আমার এইখানে ৫ জনের কর্ম সংস্থান গড়ে  উঠেছে। এখন মেডিসিন কেমিক্যাল কিনতে না পারলে আমার সব শেষ হয়ে যাবে। আমি ও আমার পরিবার পথে নেমে আসতে হবে। কোনো জায়গায় লোন বা সহযোগিতা নিতে গেলে তারা দিনের পর দিন ঘুরাতে থাকেন। 

শামসুল স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী ব্যাংকে লোন নেওয়ার জন্য গেলে ব্যাংক কর্মকর্তারা বিভিন্ন ছলনা দেখিয়ে হয়রানি করেন। এবং সরকারি সহযোগিতা  আনতে গেলে তারা বাজেট নাই বলে বারং বার হয়রানি করান। আমরা কী বাংলাদেশের নাগরিক না যে আমার লোন দিবে না এভাবে হয়রানি করান। এই মুহুর্তে আমরা মেডিসিন, কেমিক্যাল ও ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি কিনতে না পারলে সব নষ্ট হয়ে যাবে। 

আমাদের এখন সরকারের কাছে দাবি আমাদের লোন বা সরকারি সহযোগিতা করে আমাদের পাশে দাড়ানো। এবং অনেক ব্যাংক বা এনজিও হয়রানি বন্ধ করে অর্থিক সাহায্য করার দাবি জানাচ্ছি  না হলে এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে পথে নেমে আসতে হবে। ডিসি সাহেব বা সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তা উদ্দেশ্য বলেন সরকারি অনেক কর্মকতা লোন জন্য গেলে হয়রানি করান বিভিন্ন বাহানা দেখান লোন না দেওয়ার জন্য তাই আমরা যাতে দ্রত লোন পেতে পারি সেই ব্যবস্থা করার দাবি। 

আ. দৈ./কাশেম


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

● About Us    ● Advertisement    ● Terms & Conditions    ● Privacy Policy    ● Copyright Policy    ● Circulation    ● Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝