কাপ্তাই সড়কে বাড়ছে হয়রানি ও ভোগান্তি
মোঃ আলমগীর হাটহাজারী প্রতিনিধি

কাপ্তাই-লিচুবাগান থেকে শুরু করে মদুনাঘাট-কুয়াইশ সহ আশেপাশের এলাকার জনসাধারণের চলাচলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও একমাত্র সড়ক হলো কাপ্তাই সড়ক। ভোর সকাল হতে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, চাকুরীজীবী, কর্মজীবী ও অফিসগামী ব্যক্তিবর্গ এবং স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী এই সড়কে চলাচল করে।
হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত থাকলেও এই সড়কে সাধারণ জনগনের চলাচলের একমাত্র সর্বাধিক লোকাল বাহন হলো সিএনজি চালিত অটোরিকশা। কাপ্তাই হতে ক্লোজ ডোর কিছু বাস চলাচল করলেও এগুলোতে সব ষ্টপেজের মানুষ ওঠানামা করতে পারে না। ফলে এই সিএনজি অটোরিকশার ড্রাইভারদের কাছে সকল যাত্রী সাধারন জিম্মি। ভাড়া থেকে শুরু করে এমন কোন হয়রানি নাই যা তারা যাত্রী সাধারনের সাথে করে না।
কোন যাত্রী কোন কিছু নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে হেনস্তা করার জন্য সকল ড্রাইভার তেড়ে আসে। বিকল্প লোকাল পরিবহন ব্যবস্হা না থাকার কারনে জনসাধারণের কোন কথা বলার বা প্রতিবাদ করারও সুযোগ থাকেনা। এতে করে সাধারণ জনগন এই কাপ্তাই সড়কে প্রচুর পরিমাণে হয়রানি ও ভোগান্তির সম্মুখীন হয়।
এমতাবস্থায় যাত্রী সাধারনের কথা বিবেচনা করে এবং কাপ্তাই হতে শুরু করে মদুনাঘাট-কুয়াইশ সহ আশেপাশের মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি লাগবে কাপ্তাই সড়কে বিকল্প লোকাল পরিবহন হিসেবে টেম্পু ও বাস সার্ভিস চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়ের দাবী। আশাকরি জনসাধারণের আকাংখা পুরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জন প্রতিনিধিগন এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।
কাপ্তাই সড়কের যাত্রী সাধারন ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী শহরে যাতায়াতের জন্য লোকাল সিএনজি অটোরিকশা করে কাপ্তাই রাস্তার মাথায় আসতো। সেখান হতে শহর এলাকার পরিবহন ব্যবহার করে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতো। কিন্তু কয়েক দিন ধরে দেখা যাচ্ছে এসব সিএনজি গাড়িগুলোকে পুলিশ কাপ্তাই রাস্তার মাথায় যেতে দিচ্ছে না। সিএনজি গাড়িগুলো বাধ্য হয়ে যাত্রীদের গোলাপের দোকান নামক স্থানে নামিয়ে দিচ্ছে।
ফলে যাত্রী সাধারনকে ওখান থেকে পায়ে হেঁটে কাপ্তাই রাস্তার মাথায় যেতে হচ্ছে। তার উপর লোকাল সিএনজি ড্রাইভারগুলো মেট্রো সিএনজি গুলোকে কাপ্তাই সড়কে তথা গ্রামে যাতায়াত করতে বাঁধা দিচ্ছে। এতে করে কাপ্তাই সড়কে গাড়ি চলাচলে এক ধরনের হ-য-ব-র-ল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। কাপ্তাই সড়ক ব্যবহারকারী যাত্রী সাধারন, রোগী ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা বর্তমানে কাপ্তাই সড়কে কি পরিমাণ হয়রানি ও ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে তা নিজ চোখে না দেখলে অনুমেয় হবে না।
শুনা কথা হলেো পুলিশ নাকি বাস মালিক থেকে টাকা নিয়ে সিএনজি গাড়ি গুলোকে কাপ্তাই রাস্তার মাথায় যেতে দিচ্ছে না, যাতে রাস্তার মাথার ষ্টপের জায়গা বাসগুলো তাদের স্টপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। যাত্রী সাধারণ, রোগী ও ছাত্র ছাত্রীদের হয়রানি ও ভোগান্তির কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আশাকরি আশু পদক্ষেপ গ্রহন করবেে।
অন্যথায় বর্তমান পরিস্থিতি বিরাজমান থাকলে যেকোন ধরনের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে জনসাধারণের কষ্ট ও ভোগান্তি লাগবে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিগন বিরাট ভুমিকা রাখতে পারে। (কষ্ট ও ভোগান্তির কিছু চিত্র দেওয়া হলো)
আ.দৈ/আরএস




















