সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশে পারিবারিক আদালতের আদেশ নিয়ে হাইকোর্টে রিভিশনের রায় ২৪ জুন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম  আপডেট: ১৮.০৬.২০২৬ ৪:৩৫ পিএম  (ভিজিট : ৬০)
X

সারাদেশে পারিবারিক আদালতের চূড়ান্ত  আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে  ওইসবমামলার বিষয়ে রিভিউর ওপর শুনানি শেষ, রায় ২৪ জুন ধার্য করা হয়েছে।  হাইকোর্টে দেওয়ানি কার্যবিধির (সিপিসি) ১১৫ ধারা অনুযায়ী ‘সিভিল রিভিশন’ আইনিভাবে চলবে কি না- এ বিষয়ে শুনানি শেষ করা হয়েছে। আগামী ২৪ জুন এ বিষয়ে রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছেন উচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের একক বেঞ্চ গতকাল বুধবার (১৭ জুন)  এ-সংক্রান্ত একটি ‘সিভিল রিভিশন’ মামলার চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। শুনানিতে বিবাদী-প্রতিপক্ষে অংশ নেন অ্যাডভোকেট খন্দকার ইকবাল আহমেদ, অ্যাডভোকেট এ কে এম খলিলুল্লাহ (কাশেম) ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুসফিকুল হক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, চিকিৎসক মো. জুনায়েদ তার সাত বছরের কন্যাশিশুকে নিজের হেফাজতে নেওয়ার জন্য শিশুর মা চিকিৎসক তানিজা জাবিনের বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। ঢাকার পঞ্চম পারিবারিক আদালত ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই এক আদেশে শিশুটিকে তার মা ও নানির হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন এবং একই সঙ্গে বাবাকে সন্তানের সঙ্গে দেখা করার আইনি সুযোগ দেন।

পারিবারিক আদালতের এই আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে জুনায়েদ তার প্রাক্তন স্ত্রী তানিজার বিরুদ্ধে ঢাকার জেলা জজ আদালতে ‘পারিবারিক আপিল’ করেন। পরবর্তীতে আপিল আদালত একই বছরের ৬ নভেম্বর শুনানি শেষে আপিলটি খারিজ করে দেন এবং প্রথম বিচারিক আদালতের আদেশ বহাল রাখেন।

বিচারিক আদালত ও আপিল আদালতের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে জুনায়েদ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টে ‘সিভিল রিভিশন’ দায়ের করেন।

শুনানিতে বিবাদী তানিজার পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবীরা হাইকোর্টের সামনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি পয়েন্ট বা ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। তারা উল্লেখ করেন, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫-এর ৩, ১৭ ও ২০ ধারার বিশেষ বিধান অনুযায়ী হাইকোর্টে দায়ের এই সিভিল রিভিশনটি কোনোভাবেই রক্ষণীয় নয়।

আইনজীবীরা তাদের আইনি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশের ২০ ধারার স্পষ্ট বিধান অনুযায়ী, পারিবারিক আদালতের মামলার সামগ্রিক কার্যক্রমের বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির শুধু ১০ (মামলা স্থগিত) ও ১১ (রেস-জুডিকাটা) ধারা প্রযোজ্য হবে। সিপিসির অন্য কোনো বিধান বা ধারা এখানে কোনোভাবেই প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু আইনগত এই বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও বাদীসহ অনেক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ আইনের সুস্পষ্ট বিধান অমান্য করে ভুল আইনি এখতিয়ারে হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন করে আসছেন।

এই একটি মাত্র রায়ের ওপর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে বিচারাধীন থাকা পারিবারিক আদালত-সংক্রান্ত হাজার হাজার সিভিল রিভিশন মামলার ভবিষ্যৎ ফলাফল ও ভাগ্য নির্ধারিত হবে। ফলে পুরো সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের চোখ এখন আগামী ২৪ জুনের এই রায়ের দিকে।

আ. দৈ./কাশেম


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝