শাপলা চত্বর হেফাজতের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞ মামলা
হাসিনা ও বেনজিরসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রের আইনজীবী নিয়োগ
নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের ইতিহাসে জগন্যতম ঘটনা। রাজধানীর শাপলা চত্বরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে ২০১৩ সালে ৫ মে নির্বিচারে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে মাদ্রাসার নিরীহ ছাত্র ও শিক্ষকদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ওই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হলেন ৪১ জন। এর মধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক ডিএমপি কমিশনার বেনজির আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ পলাতক রয়েছেন ৩০ আসামি।
এই পলাতক আসামিদের পক্ষে বিচারিক আদালতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে বিচারিক আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের জন্য পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ অক্টোবর দার্য করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এদিকে এ মামলায় আজ বুধবার সকালে ট্রাইব্যুনালে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর জামিন আবেদন করলেও পরে তা নাকচ করেন আদালত। এর আগে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় হাসানুল হক ইনু, দিপু মনি, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, শামসুল হক টুকু, জিয়াউল আহসান, ফারজানা রুপাসহ ১১ জনকে হাজির করা হয় ট্রাইব্যুনালে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হয় এ বিষয়ে শুনানি। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন আসামি। এর আগে এ মামলায় পলাতক আসামিদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে কেউই ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেনি।
চলতি বছরের ২৭ জুলাই মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামীর মহাসমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এতে অভিযোগে বলা হয়েছে ২০১৩ সালের ৫ মে আসামিদের যোগসাজশে রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বন্ধ হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করতে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
আ. দৈ./একে




















