ফরিদপুর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল পরিদর্শন পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের
অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরিন জাহান এবং আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুর (এমসিএসএফ) পরিদর্শন করেছেন। গত রোববার (২৩ আগস্ট) তারা প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নাসরিন জাহানের একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. মাসজানুল ইসলাম তৌহিদ, মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানের সচিব এবং ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কর্নেল অ্যাডমিনও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে নাসরিন জাহান ও ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন ক্যাডেটদের কাছ থেকে সালাম গ্রহণ করেন। পরে তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, শিক্ষার মান, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরিদর্শন শেষে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পাশাপাশি সামগ্রিক পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে তারা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা কমিশনের দুই কর্মকর্তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
মানসম্মত শিক্ষা ও নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ নাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রেখে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় জ্ঞান, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল খুলনার (এমসিএসকে) আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুর (এমসিএসএফ) এবং সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ রাজবাড়ী (এসপিএসসি)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
নতুন এ দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে মানসম্মত শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আ.দৈ/এসআর




















