
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। নিউজ১৮ সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলুচিস্তানের সুরাব ও গোয়াদার এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে হামলার বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে চলতি মাসে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) দাবি করে, তারা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৩২ সদস্যকে হত্যা করেছে। ওই দাবির পরই বেলুচিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান ও বিমান হামলা জোরদার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে বিমান হামলার মধ্যেই বিএলএ পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে অন্তত ছয়টি স্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব হামলায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যরাতে চাগাই জেলায় একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করে বিএলএ। এতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত তিন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঝাও এলাকায় একটি সামরিক ক্যাম্প, খুজদারের আরসিডি হাইওয়েতে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি কনভয় এবং ওয়াদায় সামরিক বাহিনীর একটি গাড়িও হামলার শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেলুচিস্তানে সশস্ত্র হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।
এরই মধ্যে বেলুচিস্তানের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো অঞ্চলটিকে স্বাধীন ঘোষণা করেছে—এমন দাবি ও জল্পনাও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ধরনের দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
আ.দৈ/এসআর




















