ফরিদপুরের আ’লীগ নেতা এনু-রুপনের ১০ বছরের সাজা, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের চিহ্নিত অপরাধী ও দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে র্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলীর দায়ের করার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপন এবং বিদেশে পাচারের সুনিদিষ্ট অভিযোগের এই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় প্রদান করেন।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামিকে ৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে তাদের।
সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম খান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অন্য আট আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, অবৈধ উপায়ে অর্জিত প্রায় ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা গোপনে সংরক্ষণ ও উৎস গোপনের অভিযোগে ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওয়ারী থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন র্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী।
তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এনামুল হক এনু, রুপন ভূঁইয়াসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
এর আগে একই আদালতে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আরেক মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলায় তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানাও করা হয়।
আ. দৈ./কাশেম




















