ইলিয়াস আলী অপহরণ ও খুনের সাথে জিয়াউল জড়িত: চিফ প্রসিকিউটর
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহণ ও গায়েব করার ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান জড়িত। এই সেনা কর্মকর্তা রাজধানীর বনানী থেকে ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আজ রোববার (২১ জুন) ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান অপহরণ করেছিলেন, তা প্রমাণিত।’এদিকে এদেশে অপহরণ ও গুমকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার আইন চান গুম হওয়া ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ইলিয়াস আলীর অপহরণের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে।’ এর আগে, গুম ও শতাধিক মানুষকে হত্যার মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গাজীপুরে তিনজনকে হত্যা ছাড়াও বরগুনার পাথরঘাটার চর দুয়ানিতে ৫০ জন হত্যা, বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে বেশ কয়েকজনকে হত্যার তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন তারই একসময়কার রানার সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস।
জবানবন্দিতে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেলে এ জবানবন্দি পেশ করেন তিনি।
আ. দৈ./কাশেম




















