রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছাড়া গ্রেফতার নয়
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে হয়রানী না করার নির্দেশ হাইকোর্টের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম   (ভিজিট : ৬৮)
X

ফ্যাসিম্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বর্তমানে আসামি হিসেবে এ বি এম খায়রুল হক কারাবন্দি রয়েছেন।

এ বিষয়ে করা রিটের শুনানি নিয়ে আজ রোববার (১৭ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, সাঈদ আহমেদ রাজা, মুস্তাফিজুর রহমান ও মোনায়েম নবী শাহীন।

পৃথক পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার দুটি হত্যা মামলায় গত ৩০ মার্চ খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়। এভাবে গ্রেফতার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে গত বুধবার (১৩ মে) রিট করেন তার ছেলে আশিক উল হক। পরে তা আদালতের কার্যতালিকায় আসলে শুনানির জন্য ১৭ মে দিন ঠিক করা হয়।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মকাণ্ড চ্যালেঞ্জ করে রিট, আদেশ ২১ মে
পথশিশুদের সুরক্ষায় নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

সাবেক এ প্রধান বিচারপতিকে গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলের কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে তিনি।

কাইয়ুম হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগসহ পৃথক চার মামলায় হাইকোর্ট ৮ মার্চ খায়রুল হককে জামিন দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অপর মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে ১১ মার্চ জামিন পান।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে। আপিল বিভাগ গত ২৮ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জামিন বহাল থাকে। পরে আরও দুটি মামলায় ৩০ মার্চ তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এই দুই মামলায় ১২ মে হাইকোর্ট থেকে তিনি অন্তর্বর্তী জামিন পান। এরপর এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে রিট হয়।
আ. দৈ./কাশেম

ইসলামী আরবি বিশ্ব.এডি হাকিমুন্নাহারের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক হাকিমুন্নাহারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে  তার আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার (১৭ মে) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মূলত আসামির জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১২ মে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আয়কর নথি জব্দের এ আবেদন পেশ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপসহকারী পরিচালক আবু তালহা।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৩৬ বছর বয়সী হাকিমুন্নাহার বর্তমানে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তদন্তকালে ২০২০-২১ করবর্ষ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত ওই কর্মকর্তার আয়-ব্যয়ের তুলনামূলক পর্যালোচনা করে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। অধিকতর তদন্তের জন্য তার কর অঞ্চল-১১ এবং সার্কেল-২৩৮ এ রক্ষিত আয়কর নথির স্থায়ী অংশসহ যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা প্রয়োজন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, হাকিমুন্নাহারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল (মামলা নং- ৩৪)। এর আগে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর তিনি কমিশনে নিজের সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন, তবে সেখানে তথ্যের অসঙ্গতি পাওয়ায় এবং সময়মতো সঠিক তথ্য না দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আসামি বর্তমানে রাজধানীর লালমাটিয়ার বি-ব্লকের ‘রোজ হ্যাভেন’ অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা এবং তার স্থায়ী ঠিকানা দিনাজপুরের কোতয়ালী থানার রামনগর এলাকায়।

আদালতের এই আদেশের ফলে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এখন সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার ও উপ-কর কমিশনারকে নথি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হবে। দুদকের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, জব্দকৃত নথিপত্র এবং রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসামির অবৈধ সম্পদের প্রকৃত উৎস, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ এবং অর্থপাচার সংক্রান্ত আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে। 

আ. দৈ./কাশেম



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝