ন্যাটো সদস্যদের সমর্থন সীমিত হলে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক জোট ন্যাটো (NATO)থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটিকে “গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা” করছেন, এমন শক্ত অভিমত প্রকাশ করেছেন তিনি। এ ঘোষণাটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পটভূমিতে চরম দিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ‑কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোকে তিনি “কাগজের বাঘ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অন্য সদস্য দেশগুলো নির্দিষ্ট সমর্থন না দেওয়ার কারণে এটি এখন “পুনর্বিবেচনার বাইরে” চলে এসেছে।
এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শেষ হলে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক “পুনর্বিবেচনা” করা হবে। রুবিও বলেন, বর্তমানে কীভাবে জোটের মুল্য অভিন্ন, কতটা সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কতটা তা পুনঃমূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
রুবিও Fox News‑কে বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ন্যাটোর শক্তিশালী সমর্থক ছিলাম, কারণ এটি ইউরোপ ও বিশ্বব্যাপী শান্তি রক্ষা করেছে। কিন্তু যদি এখন আমরা আমাদের সামরিক সহযোগীদের কাছ থেকে কাছে থেকে সমর্থন না পাই তাহলে সম্পর্কের দিকটা আবার দেখা দরকার।”
তিনি আরও বলেন,“যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্যরা আমাদের সামরিক সহায়তা বা ভিত্তি ব্যবহার সীমিত করে, তখন প্রশ্ন উঠবে-ন্যাটো কি সত্যিই আমাদের স্বার্থ রক্ষা করছে?”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান এবং রুবিওর মন্তব্য একত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতিতে বড় বদল বা অন্তত দ্বিমুখী অভিমুখ নিয়ে যেতে পারে, যা ন্যাটো ও পশ্চিমা সামরিক একতা নিয়ে প্রশ্ন উঠাবে।
আ.দৈ/এমএস
আ.দৈ/এমএস




















