কুমিল্লা-৪ মঞ্জুরুল ও কুমিল্লা- ১০ গফুর ভূঁইয়ার আপিল খারিজ
নিজেস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও প্রার্থিতা টেকেনি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর। একইসাথে কুমিল্লা- ১০ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি এরপর হাইকোর্টে রিট আবেদনও ইসির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।বাতিল ।। এরপর তিনি আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন এবং তার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে এই দুইজন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মুন্সী।
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আবেদনটি নাকচ করেছেন। এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি ঋণ খেলাপির অভিযোগে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৭ জানুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলে ইসিতে আবেদন করেন ওই আসনে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে করা লিভ টু আপিল খারিজ হয়েছে। ফলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির গফুর ভূঁইয়া দ্বৈত নাগরিক অভিযোগ করে ইসিতে আপিল করেন একই আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের প্রার্থী কাজি নুরে আলম সিদ্দিকি। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে গফুর ভূঁইয়া হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি হাইকোর্ট রিট সরাসরি খারিজ করে দেন।এরপর হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গফুর ভূঁইয়া লিভ টু আপিল করেন।
আ. দৈ./কাশেম




















