কম্বোডিয়ার গ্রামে ৪০টি বোমা বর্ষণ থাইল্যান্ডের
ডেস্ক রিপোর্ট:

কম্বোডিয়ার গ্রামে মার্কিন যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করে ৪০টি বেশি বোমা বর্ষণ করেছে থাইল্যান্ড। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট এবং মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল মালি সোচেতা এই তথ্য জানিয়েছেন। আরো জানানো হয়, থাই এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বান্তেয় মিঞ্চে প্রদেশের একটি সীমান্তবর্তী গ্রামে ৪০টিরও বেশি বোমা ফেলেছে। পাশাপাশি থাই বাহিনী ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যান নিয়ে কম্বোডিয়ার বান্তে মিঞ্চে প্রদেশের চৌক চে গ্রামে প্রবেশ করেছে বলেও জানা গিয়েছে।
জেনারেল মালি সোচেতা বলেছেন, সেনাবাহিনী বান্তেয় মিঞ্চে প্রদেশের পোইপেট পৌরসভার একটি সাধারণ আবাসিক এলাকায়ও কামানের গোলা বর্ষণ করেছে। থাই বাহিনী বিমান হামলার পরেও থেমে থাকেনি বরং আহ্রাসন অব্যাহত রেখেছে।
আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) একটি সীমান্ত চৌকিতে কম্বোডিয়ান এবং থাই কর্মকর্তারা তৃতীয় দিনের আলোচনায় বসেছিলেন। আজ শনিবার উভয় দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের কথা রয়েছে। এর মধ্যেই চলল হামলা। তবে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনী শুক্রবার সকালে বান্তে মিয়ানচে প্রদেশের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় ভারী বোমাবর্ষণ করেছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সকাল ৬:০৮ টা থেকে ৭:১৫ টা পর্যন্ত, থাই সেনাবাহিনী এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে ৪০টি বোমা ফেলে, চোক চে গ্রামে বোমাবর্ষণ তীব্র হয়।” কম্বোডিয়ার বাহিনী সা কাইও প্রদেশের সীমান্তে রাতভর ভারী আক্রমণ চালিয়েছে, যেখানে গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই লড়াই নিয়ে দুই দেশই একে অপরকে দোষারোপ করছে। দুই দেশই আত্মরক্ষার জন্য দাবি করে একে অপরের বিরুদ্ধে নাগরিকদের উপর আক্রমণের অভিযোগ এনেছে।
জুলাই মাসে পাঁচ দিনের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের অবসান ঘটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং মালয়েশিয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতি স্বল্পস্থায়ী ছিল। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট ফেসবুকে বলেছিলেন যে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দুজনেই “কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার উপায়” নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ৮০০ কিলোমিটার (৫০০ মাইল) সীমান্ত এবং সেখানে অবস্থিত মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের সংগ্রহ নিয়ে একটি আঞ্চলিক বিরোধ থেকে এই সংঘাতের সূত্রপাত।
আ. দৈ./কাশেম




















