ভোট উৎসবে মুখর ঢাবি ক্যাম্পাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত হলের বাইরে আটটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। এ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই কেবল ভোট দিতে পারবেন। এদিকে ভোট উপলক্ষে গোট ক্যাম্পাসে এখন সাজ সাজ রব। নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার রাত ৮টা থেকে নিরাপত্ত ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
এদিকে দেশের জনগণের দৃষ্টি নি বন্ধ ডাকসু নির্বাচন ঘিরে। জাতীয় নির্বাচনের আগে ডাকসু নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডাকসু নির্বাচন ঘিরে জাতীয় নির্বাচনের ছায়া দেখছেন নির্বাচনে। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে আজকের এই নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেও তারা মনে করছেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ডাকসু নির্বাচনে নির্ভয়ে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশে ইতিহাসের এবার প্রথম ডাকসুতে ভোট গ্রহন হচ্ছে।
এর আগে এত অধিক সংখ্যক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তবে ভ্রতিক্রম রয়েছে। এবারই প্রথম ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সংগঠনের কেউ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।
এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে
প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে। ডাকসুতে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোট ১৮ হাজার ৯৫৯ ও ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ জন। প্রার্থীদের মধ্যে পুরুষ ৪০৯ জন ও নারী প্রার্থী ৬২ জন। এদিকে নির্বাচনে ভোট দিতে ক্যাম্পাসে খেলার মাঠে ৮১০টি বুথ বসানো হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার ভোটার। প্রথমবারের মতো আমরা হলের বাইরে কেন্দ্রীয়ভাবে ৮টি কেন্দ্রে এ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিতের জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সিসিটিভি
ক্যামেরা, তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা; প্রশিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ পোলিং কর্মকর্তা।'
প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী যারা: জুলাই অভ্যুথান পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন কোনো হাত্র সংগঠনের একক আধিপত্য নেই। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য হলগুলোর আসন বণ্টনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেকটা। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের ডাকসু ভোটে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলিয়ে অন্তত ১০টি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। এর বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন প্রার্থীদের আরেকটি অংশ।
নিষিদ্ধ-ঘোষিত ছাত্রলীগ ও তাদের নেতৃত্বাধীন হাত্র সংগ্রাম পরিষদভুক্ত সংগঠনগুলোর অনুপস্থিতিতে এবার ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে তাদের বিরোধীদের মধে। যারা ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকার পতন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকায় ছিল।
এবারের নির্বাচনে রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক হাত্র সংসদ (বাগহাস), সাতটি বাম ছাত্র সংগঠনের 'প্রতিরোধ পর্ষদ', জুলাই আন্দোলনের নেত্রী উমামা ফাতেমার 'স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য', হাত্রশিবির, তিন বাম সংগঠনের 'অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪', ছাত্র অধিকার পরিষদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনসহ অন্তত ১০টি প্যানেল। জুলাই অভ্যুথান পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় প্যানেলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ে ওই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকায় থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে নিয়েছে।
এ নতুন বাস্তবতা মাথায় রেখে জ্যেষ্ঠদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতাদের প্রথাল দিল পর- মিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থী করেছে ভয়ালও। জুলাই আপেললে অদের সক্রিয় ভূমিকাও বিবেচনায় নেয়ার বিষয়টি স্পার। জিপি পদে মনেীত সামিদুল ইসলাম খান চাল নিশ্ববিদ্যালয় শাখা অত্রদলের পোদন, বিশস পদে শেখ তানভীন এমী হামিম দশ স্পাদন, জিনস পদে শেখ কানা সম্প্রতি ঘোষিত করি খাসীদ চকীন হল খানা ভাত্রদলের খামারক যার এজিএম পদের তততীয় আল মাসী নারের বিদ্যা এবার হল বাধা সামাদলের আমারক।
দুমাহ অভ্যুথানে সমিয় ভূমিকান কাদেন প্রতিষ্ঠিত বাগহাসেন ডিপি প্রার্থী আব্দুল ভাসেন এবং এদিনস প্রার্থী আবু রাবেয়া মানুদান ওই অন্নাভ্যাসের সন্ধুবাসারিতে থাকা বৈরবাবিরোধী আন্দোলনের সমগ্যাল রিগেশ। এ গালেগের এজিএস গারি প্রাণরোহ এনেও জুসাই আপেলন সক্রিয় ভূমিকায় হিগেন দুখপাত্র। শুকসু দিখানে বিয়ে বিস্ততির জেরে বাগঙ্গাস সেদে দেনিয়ে দরজ প্রাণী জয়েছেন অনেকে।
দলীয় সিদ্ধান্তেন বাইনে দিয়ে জিএস পদে ভোটে নেমে পন দুইয়েছেন মেসিপি সেতা নাহিন সরকার। পরে যবগজতের প্রার্থী বারেতকে বোস দিয়ে মাহিল জেটের যার থেকে সরে বাঁয়ালেও বিভিন্ন পদে এনশাও যাবে পাতটি নাথ হার সংগঠন মনোনীত প্রতিরোধ পর্ষদ আসেন ভিপি প্রাণী করেছে শেখ তালীম্ আমনোন ইদিকে, মুখই অনুবাদে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এই जी ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকসু ও ভাগ সংসদ নির্বাচনে শামসুন নাহার হলের ভিপি রিজেন। প্রতিলের পর্যন তাদের দিবস প্রার্থী এনেতে গাত্র ইউনিদন এভাধপেন हाका विश्वविशाल नाখার সপ্তাপতি মেঘমল্লার যজুড়ে।
আয় এজিএণ পদে প্রার্থী জাবির আহমেদ জুবেল বিওলী জায়ে মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদত। জুলাই আন্দেলনের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলনে আলের ভূমিকার কথা আলোয় এসময় ব্যাং ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় অলো সচিবও হলেন তিনি। ওলামার প্যানেলে জিএস প্রার্থী আল সাংবাদিক সমিসিয়া সাবেক সভাপতি। ২০১৬ সালের আবাস ও হল সংসদ নির্বাচনে মাস্টার দা সূর্যসেন হলের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন তিনি। সাংবাদিক্ষতার দূরে কারপাসে পরিচিতির পাশাপাশি দুলাটি হন্দোসনেও সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন আল সাদী ভূঁইয়া।
জুলাইয়ে সরকার পরণ রাস্পেসনের জাগে কোর্স পূনর্বচাল ও থাই কোর্টের দেয়া রায়ের বিরুতে যে দুই তা আপিল করেছিলেন, তাদের এডমন ছিলেন তিনি উমামার প্যানেলের এদিসস প্রার্থী আমেদ অমান আন্দোলনের সংগতবাদের অনেকের কাছেও পরে অপেকে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় প্রকাশন ভাতসুরে ভিপি প্রার্থী অনেকে শত্রশিবির। সাতা বিশ্ববিদ্যালয় (চকসু) নির্বাচন উৎসঙ্গে জিএস পদে দ্বারশিবিরের প্রার্থী এম ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সমাজকায়াস উলশিরিউট ডিবেটিং স্যাল্য গড়িয়েছে যিয় এমবিবির যোগ্য ফরহাদের জাঙ্গলীগে লান সেনালোয় পালা গঠিত এক সময় সমাজকল্যাণ উনস্টিটিউট পাখার জাত্রলীগের সম্পাদক শুনি সামানিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুনলেও তিনি এটী করে আসছেন।
প্ররশিরিন মনোনীত 'নামবঙ্গ শিক্ষার্থী সোর্ট পাযেলের এজিএস প্রার্থী বৃয়াঃ মামালেীন বাল গংগাদের াল বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদ। হাতা ইসশিংশের এলাবে, সমাজসেদিক হাম েেপৗর এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল-বাংলাদেশ ভাসদ) নিয়ে 'বাপয়াজের ৩১ অদম্য ২৪ প্যানেল ১৩ জন প্রার্থী দিতে পেরেছে। এ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী নাইম হাসান হৃদয় বিসিএল আসরে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের সভাপতি। স্বার ইয়াসিরস্যের একাংশের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও গবেবনা সম্পাদক এনামুল হাসান তল্যা এ প্যানেলের জিএস এবং জানালো বিশ্ববিদ্যালয় দেখা গেছে তাকে।
২০১৬ সালের ডাকসু নির্বাচনে জমাহালীন ভরাগীগের বিরুদে ভোটে দ্বিতীর অবসানে খারা বাংলাদেশ বাধায় পর এবার জিপি প্রার্থী করেতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিশ ইতাবিশ যোরাকে। ডা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিন বাতিনুগ উদসামনে প্রার্থী এসেছে সংগঠনটি এদিকে এ নির্বাচনে গত ১০ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর প্রচার চলেছে। এই সময়ে আচরণবিরি লাদাখের যায় গোনো প্রতিযোগ ওঠেনি। নির্যালী ইনতেহায়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধালে গদ্য লতিবৃতি দিয়েছেন প্রার্থীয়া।
গুঁয়া আরও বলেছেন, সব সময় শিক্ষার্থীদের থাকবেন। চাকসু ও সংসদের নির্বাচনকে দিরে পৌয়ালা ও সঙ্গীতির এমন পরিবেশ মোট গ্রহণ থেকে ফলযাল গোফণা পর্যন্ত বজায় নাকুক, এবন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন যেভানে ভোটপ দিতে দিতে হবে। অদ্যবানের তুলনায় শকান ডাকলুকে নাগটির আকার বেড়েছে। এয়ার জাকসুতে থাকতে পাড় পৃষ্ঠার বালা। আর হল সংসদের (এমতার) শিটে।
এরই মধ্যে ছোট দেওয়ার নিয়মকানুন ভিডিও চিত্রের মাদ্যমে তুলে মনেতে ডিক নিটনিং এখনি পেলে প্রমাণ ফনা হয়েগে। পাশাপাশি ভোট প্রদানে আর ধ্যায়ীকে উৎসাহিত কাতে তিনটি অাস ও একটি ইনবিগবেরেছে সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে যাবেন। স্ন্যোলেন্দ্রে এবা পোলিং রি কার্ড প্রাথনা পে-ইপ স্লিপ দেখিয়ে করবেন।
পরিচয় নিশ্চিতের বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ড দেখিয়ে ইলেকট্রনিংসে ডিভাইস নিয়ে ভোট কলে প্রবেশ তথা যাতে না। ব্যালট পেপার শা. তাঁরা আরেকজনের। নেন করনেশ ভোটার। করে মতোই ভোট দিতে শিক্ষা ও গবেষনা । বৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা আছে, যিয় এইল গড়তে পারেন আগের য একজনের সাহায্য নিয়ে জেট ৭।
ভেটকেন্দ্রে উপস্থিত পোলিং কর্মনতাথায় উদের সামাগ্য করবো। সেইল পদ্ধতিতে ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে শানমীন কবীর বলেন, এই পদ্ধতিতে ডালসুন ব্যালট পেপার হবে ৩০ পাতায়, য একটি পালো বুকলেটের মতো হবে। পানসহ একটি সূচিপম থাকবে, যা থেকে মোল ন্যাংটের গোল পারনা গোল পদের অলিকা আছে, সেটি সহজেই খুঁজে পাবেন।
আ.দৈ/আরএস




















