রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগ উঠায়, বিচারপতি আখতারুজ্জামানের পদত্যাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: রোববার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৫৩ পিএম  আপডেট: ৩১.০৮.২০২৫ ৬:৫৬ পিএম  (ভিজিট : ১৭৫)
X

বহুল আলোচিত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। আজ রোববার (৩১ আগস্ট) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে ছুটিতে পাঠানো তাকে।
সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল নানা অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানকে তলব করে।

 বিচারপতি আখতারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি ২৬ আগস্ট। তলবি নোটিশে তাকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখা দিতে বলা হয়। তিনি নোটিশ পেয়ে ব্যাখ্যা দেন এবং প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে আজ (রোববার) পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরইমধ্যে প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির কাছে।

চলতি বছরের ২৩ মার্চ বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। গত বছরের ১৬ অক্টোবর দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ওঠায় ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে তাদের বেঞ্চ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরআগে ছুটিতে পাঠানো ১২ বিচারপতি হলেন- বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিন, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম, বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, বিচারপতি খিজির হায়াত ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

অভিযোগ ওঠার পর ওই ১২ বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানকে ডাকা হয়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর তৎকালীন বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। একইসঙ্গে তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর একই বিচারক জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য তিন আসামি হলেন খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (বর্তমানে মৃত), হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। দুটি মামলায় পরে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আর ৬ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আ. দৈ./কাশেম



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝