রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লাব্বাইকের ধ্বনিতে প্রকম্পিত আরাফাত, চলছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম   (ভিজিট : ৬৩)
X

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। আরাফাতের ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো হজযাত্রী। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক’ যার অর্থ, ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই; সব প্রশংসা, নিয়ামত ও রাজত্ব একমাত্র তোমারই।’

গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। মক্কা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের তাঁবুর নগরী মিনা ভরে ওঠে সাদা ইহরামে আবৃত আল্লাহর মেহমানদের পদচারণায়। সেখানে ইবাদত ও প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে রাত কাটিয়ে মঙ্গলবার ফজরের পর হাজিরা রওনা হয়েছেন আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে।

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজগুলোর একটি হলো আরাফাতে অবস্থান, যাকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বছর বিশ্বের নানা দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি মুসল্লি হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে সমবেত হয়েছেন। ভাষা, বর্ণ ও দেশের ভিন্নতা ভুলে সবাই এক কাতারে মিলিত হয়েছেন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রত্যাশায়।

ঐতিহাসিক এই আরাফাতের ময়দান মুসলিমদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। প্রায় ১৪০০ বছর আগে এখানেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। আজও সেই ময়দানজুড়ে দিনভর দোয়া, জিকির, তিলাওয়াত ও আত্মসমর্পণের আবহ বিরাজ করবে।

আরাফাতে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে আজ হজের খুতবা প্রদান করা হবে। খুতবা ও নামাজের মধ্য দিয়ে হাজিরা কাটাবেন দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করে তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা, রহমত ও কল্যাণ প্রার্থনা করবেন।

ধর্মীয় বর্ণনায় আরাফাতের দিনের দোয়ার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসর নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গভীর বিনয় ও আবেগে নিজেদের পাপমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনায় মগ্ন হবেন। নিজেদের পাশাপাশি পরিবার, আত্মীয়স্বজন, দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনাও করবেন তারা।

হাদিসে আরাফাতের দিনের মর্যাদা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্ণনা রয়েছে, এ দিনে আল্লাহ অসংখ্য মানুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন এবং হাজিদের জন্য রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দেন।

সূর্যাস্তের পর হজযাত্রীরা আরাফাত থেকে মুজদালিফার পথে রওনা হবেন। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহের পর ১০ জিলহজ আবার মিনায় ফিরে বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। পরে কাবা শরিফ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সাঈর মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে পূর্ণতা পাবে পবিত্র হজের এবারের যাত্রা।

আ.দৈ/আরএস



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
ধর্ম- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝