মিরপুর-১০ নম্বরে ডিএনসিসির কার্যালয় চত্বরে নিজস্ব মসজিদ উদ্ধোধন
আবুল কাশেম:

ছবিতে-মসজিদ উদ্দোধন করছেন প্রশাসক,আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা
অবশেষে বহু প্রত্যাশিত একটি সুন্দর মসজিদ নির্মাণ হয়েছে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক কার্যালয়-৪ এর চত্ত্বরে। ডিএনসিসির নিজস্ব অর্থায়নে নান্দনিক ডিজাইনে ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এই মসজিদে স্থানীয় লোকজনও শুক্রবার জুমার নামাজসহ দৈনিক ৫ ওয়াক্ত জামাতে নামাজ পড়েন।তবে এই মসজিদের ভেতর এবং বাইরে মিলে তিন শতাধিক লোকের একত্রে নামাজ পড়ার সুব্যবস্থা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১৫ মে) ডিএনসিসির বর্তমান প্রশাসক মো.শফিকুল ইসলাম মিলটন এই মসজিদের জুমার নামাজ পড়েন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি উদ্ধোধন করেন। ওইসময় উপস্থিত ছিলেন আঞ্চল-৪ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন (উপসচিব),আঞ্চল-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান (পুর), আঞ্চল-৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম (পুর) এবং ডিএনসিসিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো.সিদ্দিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, অঞ্চল-৪ এর কার্যালয়ে এই মসজিদ নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্ত হলেন ডিএনসিসির জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো.সিদ্দিকুর রহমান। তার এই উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতায় রয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, তৎকালীন প্রশাসক এবং প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তাদের সবার সম্মিত প্রচেষ্টায় মিরপুরে আঞ্চলিক কার্যালয় চত্বরে আজ অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে। সুন্দর পরিবেশে একটি মসজিদ নির্মাণ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। তবে গত রমজান মাসে নবনির্মতি এই মসজিদে‘খতম তারাবি’ নামাজ পড়া শুরু হয়। ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় অত্যন্ত আগ্রহ সহকারী নামাজে অংশ গ্রহণ করেন। তাদের অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে এই মসজিদে নামাজিদের সংখ্যা দিন বেশ বাড়ছে।
এদিকে মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো.সিদ্দিকুর রহমান ‘আজকের দৈনিক’পত্রিকাকে বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন স্যারের পরামর্শ, জমি নির্ধারণ করে দেওয়াসহ প্রশাসক স্যারের দপ্তরের অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ পর্যন্ত সব কাজে সহযোগিতা করেছেন।
তিনি আরো বলেন, সবার আন্তরিকতার ফলেই এই মসজিদ নির্মাণ সম্বভ হয়েছে।বর্তমান প্রশাসক স্যার মসজিদের ইমাম ও মোয়াজিনের নিয়মিত মাসিক বেতন ডিএনসিসির তহবিল থেকে পরিশোধের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যেভাবে প্রতিমাসে বেতন, ভাতা ও বোনাস পান, ঠেক সেভাবেই এই মসজিদের ইমাম ও মোয়াজিনের বেতন, ভাতা প্রদান করা হবে।
মো.সিদ্দিকুর রহমান আরো বলেন, এতোদিন তারা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ছোট্ট একটি কক্ষে তারা নামাজ পড়তেন। তখনও একজন ইমাম সাহেবকে নিজেরা বেতনের টাকা থেকে বেতন দিতেন। তিনি এই মসজিদের ইমাম সাহেবের থাকার জন্য একটি পৃথক কক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের জন্য অজু খানা,টয়লেট/ প্রসাব খান নির্মাণ করা হয়েছে। বলতে গেলে এখানে আধুনিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, এই মসজিদে মহিলাদের নামাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আ. দৈ./কাশেম




















