আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার
নিজস্ব প্রতিবেদক

পূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ৬টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী সার্ভিসে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
আসন্ন দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ঘরমুখী যাত্রীদের সুবিধাজনক ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই সাথে পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচল করবে ঢাকা স্পেশাল-৩। ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২ আগামী ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (মোট ৩ দিন) ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে চলাচল করবে এবং চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪ আগামী ২৪ অক্টোবর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করবে।
যাত্রী চাপ সামলাতে পূর্বাঞ্চলের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৯ ও ২০ অক্টোবর তারিখের অফ-ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবরের অফ-ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া, পূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ এবং পশ্চিমাঞ্চলে ৬টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী সার্ভিসে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
সিডিউল বিপর্যয় দূর করতে ও সময়ানুবর্তিতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন ও সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালিত হবে।
ট্র্যাক ও ব্রিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রেলপথ পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সাথে সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ এবং ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যা করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রেরণের জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে রিলিফ ট্রেনসমূহ।
ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল প্রধান প্রধান স্টেশনে জিআরপি ও আরএনবি-এর সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক পাহারা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল ডিউটি নিশ্চিত করা হবে।৷ চলন্ত ট্রেন, স্টেশন বা রেললাইনে যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে কর্মচারীদের নজরদারি ও কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, সংশ্লিষ্ট সচিব ও দপ্তর প্রধানগণ, ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আ দৈ/ এস এন




















