এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে ভয়ংকর ‘পিচ্চি রাজা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

এদিকে, পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পিচ্চি রাজাকে একমাত্র আসামি করে কোনাবাড়ি থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে থানার উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিৎ মজুমদার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন।
ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফেরার পথে গত রোববার নাওজোড় এলাকায় শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে প্রিজনভ্যান থেকে নামেন পিচ্চি রাজা। এরপর সুযোগ বুঝে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সেখান থেকেই পালিয়ে যান তিনি।
কোনাবাড়ি থানার ওসি ইফতেখার হোসেন জানান, মামলায় রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
কাশিমপুর কারাগার সূত্র জানায়, গত রবিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ থেকে প্রিজনভ্যানে ঢাকায় নেওয়া হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাকে আবার গাজীপুরে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে তিনি প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা জানান। দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে কাছের একটি শৌচাগারে নিয়ে গেলে সেখান থেকেই কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর দায়িত্বে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে কারাগারে ফেরার সময় নাওজোড় এলাকায় শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে পিচ্চি রাজা পালিয়ে যান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, তাকে ওই এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবর পেয়ে বিমানবন্দরে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।
আ দৈ/ এস এন




















