ঘটনা ঘটার পর পুলিশ এসেছে, বাংলা সিনেমার মতো’: আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তাঁর অভিযোগ, ভাঙচুরের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
রোববার রাড্ডা সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় সেন্টারে টাঙানো ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর একটি বিলবোর্ড সরিয়ে দেওয়া হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধ, ইনজেকশন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও শিশুদের জন্য রাখা টিকা লুট করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুনর্নির্মাণ করে সেখানে সেবাকার্যক্রম চালুর দাবি জানান।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের দেখা গেছে। তাঁর দাবি, ভারী যন্ত্রপাতি এনে স্থাপনা ভাঙার সময় অনুমতি যাচাইসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া পুলিশের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ভাঙচুর শুরু হলে পুলিশ সরে যায়।
এদিকে রাড্ডা সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের কোনো সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকেও প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রাড্ডা সেন্টারে হামলার ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি রাড্ডা সেন্টারে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং আরও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আ.দৈ/আরএস




















