রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকারে প্রশাসকদের প্রার্থী না করার প্রস্তাব জামায়াতের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২১ পিএম   (ভিজিট : ৩২)
X

স্থানীয় সরকার প্রশাসনে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বা কোনো উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (১৯ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। সম্প্রতি প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনী বিষয়ে মতামত আহ্বান করলে জামায়াত এ মতামত দেয়।

ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মোট নয়টি প্রস্তাব ও দাবির কথা জানান।

১. নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসে টেলিভিশন বা ভিসিআর ব্যবহার নিষিদ্ধ বলা হলেও ডিজিটাল উপকরণ, যেমন এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে কোনো নীতিমালা উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।

২. প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের (এমপি) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। তাই মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন করতে হবে।

৩. সব নির্বাচনেই ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে কোনো বিধান উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।

৪. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে একটি সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

৫. কমিশনের প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৬. সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতা-কর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান সংযোজন করতে হবে।

৭. স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোনো প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদে নিয়োজিত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন—এ মর্মে বিধান সংযোজন করতে হবে।

বিশেষ প্রস্তাবনা:

১. ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে নারী সদস্য প্রার্থীকে সরাসরি নির্বাচনের সুযোগ দিয়ে সংরক্ষিত সদস্য পদ্ধতি বাতিল করতে হবে।

২. জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলে ৬১টি জেলা পরিষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর ধাপে ধাপে ৫৬টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে পৌরসভাগুলোও প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। শুধু ইউনিয়ন পরিষদগুলোতেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করছেন।

আ.দৈ/আরএস



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
রাজনীতি- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝