পরিকল্পনাহীনতায় ডুবছে যশোর
ইমরান হোসেন রাজ ,যশোর

একটু ভারী বৃষ্টি হলেই যশোর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাসাবাড়ি এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে যায়। বিপন্ন হয় নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবন। বহুবছর ধরে পৌরসভার অন্তত চারটি ওয়ার্ডের কয়েক হাজার মানুষ বর্ষা মৌসুমে এমন পানিবন্দী জীবনযাপন করেন। যার মধ্যে রয়েছে পৌরসভার পাঁচ, ছয়, সাত এবং আট নম্বর ওয়ার্ড।
নাগরিকদের এই বেহাল অবস্থা দূরীকরণে বরাবরই নানা আশ্বাস দিয়ে আসছে পৌর কর্তৃপক্ষ। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার ড্রেন সংস্কার এবং নির্মাণ করা হয়েছে। যার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় শত কোটি টাকা। শুধুমাত্র ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যয় হয় ২২ কোটি টাকা। এছাড়াও সবশেষ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৪৬.৯৭ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল যশোর পৌরসভা।
পৌর কর্তৃপক্ষ সেসময় জোর দিয়ে বলেছিল, ‘এবার বৃষ্টিতে শহরের জলাবদ্ধতা হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ তবে বাস্তবতা ভিন্ন। গেল সপ্তাহের ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। আর এতেই ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে শহরবাসীর মধ্যে। প্রশ্ন উঠেছে, এতো বিপুল টাকা খরচ করেও শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন কেন সম্ভব হচ্ছে না?
পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জুলফিকার রহমান বলেন, আমরা জন্ম থেকেই জ্বলছি। একদিন ভারী বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকা প্লাবিত হয়। যেন আমরা কোন বন্যাকবলিত এলাকায় বসবাস করি। ঘরের ভেতর পানি উঠে যায়। রান্না খাওয়া আমাদের বন্ধ হয়ে যায়।
দোকানি শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবার বর্ষার আগে পৌরসভা থেকে বলা হয় আর জলাবদ্ধতা হবেনা। ভোটের আগে নেতারা এসেও একই কথা শোনান। কিন্ত বাস্তবে আমাদের ভাগ্য পরিবর্তণ হয়না। ভারীবর্ষণ হলেই আমাদের ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলায় যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত যশোর পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের মূল নীতি ছিল প্রাকৃতিক ঢাল। শহরের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাংশের বৃষ্টির পানি বিভিন্ন নালা ও সংযোগ খাল বেয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বিশাল জলাধার বিলহরিণায় গিয়ে পড়তো। ব্রিটিশ আমলে এই প্রাকৃতিক রুটগুলোকেই সুবিন্যস্ত করে ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। বিলহরিণা তখন শহরের অতিরিক্ত পানি শুষে নেওয়ার ‘ফ্লাড রিটেনশন বেসিন’ বা প্রাকৃতিক স্পঞ্জ হিসেবে কাজ করতো।
কিন্ত বর্তমান বাস্তবতায় সেই ঐতিহাসিক ড্রেনেজ লিঙ্কেজ প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। বিগত কয়েক দশকে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে বিলহরিণার পানি যাওয়ার সংযোগ খালগুলো নির্বিচারে দখল ও ভরাট করা হয়েছে। উন্মুক্ত খালের ওপর নির্মিত হয়েছে বহুতল ভবন, রাস্তা ও দোকানপাট। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে আরসিসি ড্রেন তৈরি করা হয়েছে, যা বিপুল পরিমাণ পানির চাপ নিতে পারছে না। এর ওপর ড্রেনগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে।
সংকট কেবল শহরের ভেতরের ড্রেনেই নয়, পানি যেখানে গিয়ে পড়ার কথা সেই বিলহরিণা নিজেই এখন অস্তিত্ব সংকটে। বিলের একটি বড় অংশ ভরাট করে গড়ে উঠেছে আবাসন প্রকল্প। বাকি অংশের সিংহভাগই রূপান্তর করা হয়েছে বাণিজ্যিক মাছের ঘেরে। ঘের মালিকদের দেওয়া যত্রতত্র বাঁধের কারণে বিলের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা হারিয়ে গেছে। পলি ও ময়লা জমে বিলের তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় এখন উল্টো ‘ব্যাকওয়াটার ইফেক্ট’ বা বিলের পানি শহরে ফিরে আসার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
যশোর পৌরসভার শত কোটি টাকার ড্রেনেজ প্রকল্পের অসারতা এবং কাঠামোগত দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট বেনজীন খান। তিনি এই জলাবদ্ধতার পেছনে প্রধানত দুটি বড় কারণ চিহ্নিত করেন। তার ভাষ্য, বিগত সরকারের আমলে ড্রেন নির্মাণে বৈজ্ঞানিক কোনো নিয়ম মানা হয়নি। একই সাথে জনগণের অসচেতনতা বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অনেকটা দায়ী।
বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, সমাজকর্মী বেনজীন খান বলেন, যশোরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অনিয়ম আছে, কোনো সায়েন্টিফিক ব্যবস্থাপনা নেই। কোটি কোটি টাকা খরচ করে ড্রেনগুলো অনেক গভীর করা হয়েছে ঠিকই, কিন্ত ড্রেনের কোনো অভিমুখ রাখা হয়নি। ড্রেনের পানি সবসময় স্থির হয়ে আটকে থাকে। একটা ড্রেনের পানি তো নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার কথা, কিন্ত এখানে পানি স্থির। তার মানে, তারা শুধু ড্রেন গভীর করেছে, কিন্ত পানি কোন দিকে যাবে, সেদিকে খেয়াল নেই পৌর কর্তৃপক্ষের। এটি একটি মারাত্মক বৈজ্ঞানিক ত্রুটি।
প্রশাসনের ভুলের পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বহীনতাকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি বলেন, রাস্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ড্রেন যে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ- এই ন্যূনতম বোধটুকু আমাদের বেশিরভাগ মানুষের এখনো তৈরি হয়নি। মানুষ হরহামেশা ময়লা-আবর্জনা ড্রেনে ফেলছে। ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও শিক্ষিত মানুষ একটা ডাব খেয়ে বা ময়লা এনে ড্রেনের মধ্যে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে। রাস্তার পাশের দোকানদাররা ব্যবসা শেষে সব বর্জ্য ড্রেনে ফেলে চলে যাচ্ছে। মানুষ বাড়ি বানানোর সময় বালি, ইট ও নির্মাণসামগ্রী এনে ড্রেনের ওপর স্তূপ করে রাখছে। জনগণের এই অসচেতনতার কারণেই মূলত ড্রেনগুলো কোনো কাজ করছে না।

শহরের দক্ষিণ অঞ্চলের অপরিকল্পিত বিস্তৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যশোর শহর ভৈরব নদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী শহরের পানি নদী ও বিলের দিকে যাওয়ার কথা। বিশেষ করে দক্ষিণাংশের বিলহরিণা হয়ে মুক্তেশ্বরী নদীতে যেত। কিন্তু মানুষ জমি কিনে বাড়ি বানাচ্ছে, কোনো ড্রেনেজ প্ল্যান মানা হচ্ছে না। পৌরসভা আদৌ দেখেশুনে প্ল্যান পাস করে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে এই গবেষক বলেন, ১৮৬৪ সালে যখন পৌরসভা হয়, তখন শহরে মানুষ কম থাকা সত্ত্বেও ব্রিটিশদের একটা দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান ছিল। তারা জানতো ৫০ বা ১০০ বছর পর ড্রেনের ওপর চাপ কতটা বাড়বে। তাই তারা বিশাল জায়গা নিয়ে ড্রেন ও রাস্তা করেছিল। কিন্ত আমরা পাকিস্তান আমল থেকেই ধ্বংসের সূচনা করেছি। দড়াটানা ব্রিজ বা খয়েরতলার ব্রিজ করার সময় নদীকে সরু করে ড্রেন বানিয়ে ফেলা হয়েছে। আর মানুষকে ইশারা দেওয়া হয়েছে নদীর জায়গা দখল করার জন্য।
পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও মেগা প্রকল্পের নামে অর্থ লোপাটের কড়া সমালোচনা করে ভৈরব নদ বাঁচাও আন্দোলন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সেটা মানুষের কল্যাণ বয়ে আনবে নাকি বিপরীত ঘটনা ঘটাবে, তা বিবেচনা করা দরকার।
পৌরসভা ড্রেনেজ সিস্টেম আধুনিকায়নে জন্য প্রথমে এডিবির প্রজেক্ট, পরে বিশ্বব্যাংকের প্রজেক্ট নিলো।এসব প্রজেক্ট নেওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের প্রধান দৃষ্টিভঙ্গিই থাকে দুর্নীতি অর্থাৎ কী পরিমাণ টাকা লুটপাট করা যাবে! ফলে জনগণের সুবিধা তাদের কাছে মুখ্য থাকে না।এডিবির প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ড্রেনগুলোর তলা উঁচু ও পাশ ছোট করে ফেলা হলো। পরবর্তীতে সেই প্রজেক্ট বাতিল করে বিশ্বব্যাংক যখন নতুন প্রজেক্ট আনলো, তারাও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালো।
তিনি অতীত ও বর্তমানের ড্রেনের তুলনা করে বলেন, ‘পূর্বে আমাদের যে ড্রেনেজ সিস্টেম ছিল, তার প্রশস্ততা ছিল গলা সমান, যা দুই হাত বাড়ালে যতটুকু চওড়া হয় তেমন ছিল। খালধার রোড, ষষ্টিতলাপাড়া, বেজপাড়া, নলডাঙ্গা রোড কিংবা পুরাতন কসবা বেগম মিলের ড্রেনগুলো আগে কত বড় ছিল তা ওখানকার মানুষদের জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে। এখন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে নতুন একটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে মানুষকে জিম্মি করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তীতে আরেকটা প্রজেক্টের ক্ষেত্র বা দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করা যায়। এটি সম্পূর্ণ বিদেশি ফান্ড আর পৌর কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির খেলা।’
নদী দখল ও গণবিরোধী পরিকল্পনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যশোরের দুই পাশে দুটি নদী ভৈরব ও মুক্তেশ্বরী। এছাড়াও বিলহরিণা রয়েছে। ফলে এখানে জলাবদ্ধতা হওয়ার কথাই ছিল না। কিন্ত ঘোপ, পুরাতন কসবা বা বারান্দীপাড়ার মতো ভৈরব নদের তীরবর্তী এলাকাও এখন ডুবছে। কারণ জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনেই আইন লঙ্ঘন করে নদীর সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় চলে গেছে, এমনকি নদীর বুকে আবাসন প্রকল্প ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে।
মুক্তেশ্বরীও এখন ভবদহ সংকটে আক্রান্ত। অথচ মেগা প্রকল্প নেওয়ার সময় শর্ত থাকা সত্ত্বেও ভুক্তভোগী জনসাধারণের কোনো মতামত নেওয়া হয় না। সব মিলিয়ে সরকার, পৌরসভা, পাউবো এবং এলজিইডির এই পুরো তৎপরতাটাই গণবিরোধী, যা মানুষের কল্যাণে নয়, বরং নতুন প্রকল্প এনে লুটপাটের জন্য করা হচ্ছে।
পৌর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, যশোর শহরের পানি বেরোনোর প্রধান দুটি পথ ভৈরব ও মুক্তেশ্বরী উভয়ই এখন দখলদারদের কবলে। বর্জ্য ও প্লাস্টিকের কারণে ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দুই কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেন পরিষ্কার করায় পানি হয়তো একটু দ্রুত নামবে, কিন্তু সেই পানি নেমে কোথায় যাবে? যাওয়ার জায়গাটাই তো বন্ধ! ট্রেন লাইনের পাশ দিয়ে একটি কাঁচা ড্রেন রাজারহাট শ্মশান হয়ে ভৈরব নদে মিশিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে গবেষণা করা দরকার।
জলাবদ্ধতা নিরসনের সুনির্দিষ্ট উপায় নিয়ে প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, শহরের এক থেকে চার নম্বর ওয়ার্ড এবং আট নম্বর ওয়ার্ডের পানি ভৈরব নদে পড়ে বিধায় সেখানে কোনো জলাবদ্ধতা নেই। কিন্ত পাঁচ, ছয়, সাত ও নয় নম্বর ওয়ার্ডের পানি যে বিলহরিণা ও মুক্তেশ্বরী নদী দিয়ে যাবে, ভবদহ ইফেক্টের কারণে তা এখন অসম্ভব।
মুক্তেশ্বরী নদীর পানির লেভেল সবসময় হাই থাকে এবং বিলের তলা উঁচু হয়ে গেছে। তাই যশোর-বেনাপোল রোডের মুড়লী থেকে চাঁচড়া অংশ পর্যন্ত প্রস্তাবিত সিক্স-লেন এক্সপ্রেসওয়ের পাশ দিয়ে যদি একটি বড় সংযোগ খাল খনন করা যায়, তবে শহরের দক্ষিণাংশের সমস্ত পানি ডাইভার্ট করে মুড়লীর পাশ দিয়ে ভৈরব নদে নামানো সম্ভব। এটাই হবে সবচেয়ে টেকসই উদ্যোগ।
সার্বিক বিষয়ে যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন জানিয়েছেন, শহরের জনসংখ্যা ও আয়তন বাড়লেও ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে পৌরসভা বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। গত দুই অর্থবছরে প্রায় শতভাগ ড্রেন পরিষ্কার করার সুবাদে আগে যেখানে ভারী বর্ষণে ২-৩ দিন পানি জমে থাকতো, এখন তা ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে নেমে যাচ্ছে।
মেডিকেল কলেজ এলাকার সরু ড্রেন ও আরএফএল পাম্প ডিপোর সামনের কাঁচা ড্রেনটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং চাঁচড়ার কালভার্ট এলাকাটি পৌরসভার সীমানার বাইরে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলজিইডির সাথে সমন্বয় করে এগুলো প্রশস্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা দূর করতে পালবাড়ি মোড় থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত মেইন রোডের পাশে একটি সংযোগ খাল খননের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে এর ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
আ. দৈ./কাশেম/ জাকির




















