বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সাব-রেজিস্টারদের দুর্নীতি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম   (ভিজিট : ১৬৪)
X

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ভয়াবহ দুর্নীতি, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ১৯০ জন সাব-রেজিস্ট্রারের নিয়োগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে কার্যকর করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম খান ।

প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, হাইকোর্টের নির্দেশে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য রুলনিশি জারি করা হয়েছে। এতে দুর্নীতি অনেক কমে যাবে। এটা সত্য কথা। তবে সিসিটিভি দিয়ে সব দুর্নীতি বন্ধ হবে না, দালাল চক্র নজরদারিতে রাখতে হবে। 

সিসিটিভি ক্যামেরা লাগলে মানুষকে হয়রানি করে সরাসরি টাকা আত্মসাৎ করার বিষয়টা অনেকটা কমবে। ভয়-ভীতিতে খুচরা পার্টি যারা তারা টাকা আদান-প্রদান করতে ভয় পাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সাব-রেজিস্ট্রাররা দলিল লেখকদের মাধ্যমে দুর্নীতি করে থাকে। 

তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন, প্রতিটা সাব-রেজিস্ট্রার এর নিজস্ব কিছু দালাল থাকে যাদের মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার এর কাছে টাকা চলে যায়। এই দালাল চক্রকেও কঠোর নজরদারিতে রাখতে হবে। নইলে সিসিটিভি থাকা সত্ত্বেও অফিসের বাইরে, বাসায় বা অন্য মাধ্যমে লেনদেন চলবে। তাই সিসিটিভির পাশাপাশি দলিল লেখক ও দালাল সিন্ডিকেট ভাঙতে বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি দরকার।

২০১৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট হয়েছে। অভিযোগ, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়ে প্রায় ১৯০ জন সাব-রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটে তাদের নাম নাই। ৮ বছর ধরে তারা কোটার সকল সুবিধা ভোগ করছে। এমন একজন সাব-রেজিস্টার হলেন ওসমান গনি মন্ডল। তার দেশে-বিদেশে সম্পদের পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকা। 

চিঠিতে কেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন আব্দুল কাইয়ুম। সুপারিশগুলো হলো- ২০ হাজার জনবল নিয়োগ: দুদকে কমপক্ষে ২০ হাজার জনবল নিয়োগ করুন। তাদের বুনিয়াদি ট্রেনিং দিন এবং যাতায়াত ও লজিস্টিক সুবিধা বৃদ্ধি করুন। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল: প্রতিটা জেলায় দুর্নীতিবাজদের দ্রুত বিচারের জন্য একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিশেষ আদালত গঠন করুন। প্রতিটা উপজেলায় দুদকের একটি করে সাব-অফিস স্থাপন করুন।

সকল সাব-রেজিস্ট্রার, কাস্টমস, আয়কর কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব প্রতি বছর দুদক কর্তৃক বাধ্যতামূলকভাবে যাচাই করা হোক। একই সাথে প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রারের ব্যক্তিগত দালাল ও দলিল লেখক সিন্ডিকেটের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেন তদন্তের আওতায় আনা হোক। আয় বহির্ভূত সম্পদের মামলা করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

আ.দৈ/আরএস





Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
অপরাধ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

● About Us    ● Advertisement    ● Terms & Conditions    ● Privacy Policy    ● Copyright Policy    ● Circulation    ● Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝