কার ভিলেজে পাওয়া যায় চোরাই গাড়ি!
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর গিরিধারা আবাসিক এলাকার কর্নারে ‘কার ভিলেজ বিডি’ নামের প্রতিষ্ঠান খুলে চোরাই গাড়ির রমরমা ব্যবসা করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান। তার বাড়ি যশোর হওয়ায় তিনি নিয়মিত চোরাই গাড়ি আনা নেয়ার ফাঁকে ফেনসিডিল ও ইয়াবার চালান রাজধানীতে আনেন বলে ভয়ঙ্কর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার একটি জিডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ সে একটি পুরনো গাড়ি বিক্রি করে একজন সাংবাদিকের কাছে। ওই গাড়িটি কাগজের ফিটনেসের মেয়াদ ছিল ওই বছরের ১৬ মার্চ পর্যন্ত। ট্যাক্সটোকেনের কোনো মেয়াদ ছিলনা। গাড়িটি নিয়ে ওই সাংবাদিক বাড়ি যাওয়ার সময় পুলিশী তল্লাসীর মুখে পড়লে কামরুজ্জামানকে ফোন করা হলে সে সাত দিনের মধ্যে কাগজ ঠিক করার ওয়াদা করে।
কিন্তু ঈদ শেষে ঢাকায় এসে ওই সাংবাদিক তার শোরুমে পাঠালে সে গাড়িটি রেখে দেয়। সময় ক্ষেপন করতে করতে ১৩ মাসেও কাগজ ঠিক করে গাড়ি ডেলিভারি দিতে পারেনি। পরে ওই সাংবাদিক তার নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে খোঁজ পান কামরুজ্জামান একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং যশোরের শাহীন চাকলাদারের নিকটাত্মীয়। সে বর্তমানে শাহীন চাকলাদারের সকল সম্পত্তি বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করছে।
শাহীন চাকলাদারের সম্পত্তি বিক্রির জন্য বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকেন না। সে ২০১৫ সাল থেকে চোরাই গাড়ির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে কার ভিলেজকে শো করে অহরহ চোরাই গাড়ি বিক্রি ও মাদক বিক্রির রমরমা ব্যবসা করে আসছে।
আরও পড়ুন
স্থানীয় পর্যায়ের ছোটখাটো নেতাকে পুঁজি করে চোরাই গাড়ি ফেরত দিলে সেই ফেরতের অর্থ আর কাউকে ফেরত দেয়না। এ বিষয়ে ডিসি ওয়ারী মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি বলেন, মাদক বিক্রির বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স আছে। আর চোরাই গাড়ি বিক্রির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে কার ভিলেজ বিডির কর্নধার কামরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে আছেন, তিনি কোন অবৈধ ব্যবসা করেননা। মাদকের বিষয়ে তিনি কোন জবাব না দিয়ে পুলিশকে অবহিত করতে বলেন।
আ.দৈ/আরএস





















