মোহাম্মদপুরে ১৮ মামলায় অভিযুক্তের দায় শুধু র্যাব-পুলিশের কেনো
নিজেস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে যার বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা তার দায় কি শুধু র্যাব কিংবা পুলিশের। এমন প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসেন র্যাব মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ । আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর রমনা বটমূলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মোহাম্মদপুরের বিষয়ে আপনাদের তো অনেক অভিযান। গতকালও মোহাম্মদপুরে একজনকে হত্যা করা হয়েছে। একজনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা। এখানে দায় এড়ানোর সুযোগ আছে কি না? কারণ পরপর এই ঘটনাগুলো ঘটছে।’
এর জবাবে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘দায় এড়ানো বা দায় শোল্ডার করার মতো বিষয় নয়, ঘটনা ঘটলে আমরা কাজ করছি কি না এটা একটা বিষয়। সব দায় আমি নেব কেন? সব দায় কি আমারই থাকবে? ১৮টা যার মামলা তার দায় কি শুধু পুলিশ নিবে বা র্যাব নিবে?।’
তিনি বলেন, আমি দায় নিব না, আমার কাজ হচ্ছে যখন অপরাধপ্রবণ আমি অপরাধী পেয়ে যাব তখন তাদের গ্রেফতার করবো। যার বিরুদ্ধে ১৮টা মামলা সে কীভাবে বাইরে থাকল, সেই প্রশ্ন আপনি তাদের করেন। তাহলে মনে হয় প্রশ্নের সঠিক জবাব পাবেন।
মোহাম্মদপুরে আটকের বিষয়ের প্রশ্নে র্যাব ডিজি বলেন, আটক তো নিত্যই হচ্ছে। ১৮টা মামলা মানে কী? তার মানে সে আটক হয়েছে বলেই তো ১৮টা মামলা তার আছে। এতেই তো বোঝা যায় কতবার সে আটক হয়েছে।
গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী সড়কের বেড়িবাঁধ এলাকায় মোহাম্মদপুরের কুখ্যাত কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপের’ মূলহোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষ। পরে বিকেলে গুরুতর আহতাবস্থায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় তিনজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫)। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৩টি চাপাতি ছাড়াও একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত জব্দ করা হয়।
আ. দৈ./কাশেম




















