গুম খুনের অধ্যাদেশ প্রয়োজনীয় ছিল না: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে অসংখ্য খুন,গুম, অপহরণ এবং নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে ওই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও মো. আমিনুল ইসলাম হুট করে মন্তব্য করেছেন ‘গুম, খুন’ প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ জারির কোন প্রয়োজনীয় ছিল না।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এ কথা বলেন। তিনি বলেন, গুমসংক্রান্ত যে অপরাধ গুম অধ্যাদেশের আওতায় ছিল, সেটি এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংবিধিবদ্ধ ছিল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধন বিল আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে আইনটিতে গুমের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংসদে আইনমন্ত্রী বলেন, গুমের বিচার করার জন্য সরকার যে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সেটি এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো।
এর পরিপ্রেক্ষিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমি কপিটা এখনো দেখিনি। আমি শুকরিয়া জানাচ্ছি যে গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং এটি ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আমি আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ, আমার মনে হচ্ছে, গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয় আইন ছিল।’
আমিনুল ইসলামের মতে, ট্রাইব্যুনাল আইনে গুমের অভিযোগের বিচারের যথেষ্ট এখতিয়ার ছিল। অতিরিক্ত আইন বা ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজন ছিল না। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এখন যদি এটি ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে একীভূত হয়, আমি মনে করি এটি একটি সঠিক এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’
আ. দৈ./কাশেম




















