বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
ই-পেপার

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পরিকল্পিতভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরানোর চেষ্টা: শাহরিয়ার কবির
নিজেস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম   (ভিজিট : ১৩১)
X

গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। 

এর প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি, কাগজপত্র নিয়ে বিতর্ক ও শুনানিতে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং ভোটের অধিকার খর্ব করার শামিল।

এদিন দুপুরে ইসির শুনানিতে আশরাফুল আলমের পক্ষে অংশ নেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।তিনি বলেন, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। আশরাফুল আলম নিজেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগেও তিনি নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।

শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, কোনোভাবেই যেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মনোনয়নপত্রে একটি স্বাক্ষর নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট নারী ভোটার স্বাক্ষর করেছেন — এর প্রমাণ শুনানিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও একপর্যায়ে বলা হয়, ওই স্বাক্ষর তিনি করেননি।


তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী সবার কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কেবল একজন প্রার্থীর ক্ষেত্রেই আপত্তি তোলা হয়েছে। এমনকি শুনানিতে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থী এসে আশরাফুল আলমের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপত্তি জানান, যাতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির আরও বলেন, ভোট একটি আমানত। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এভাবে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র এবং এটি নির্বাচনী প্রকৌশল বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’। এ ধরনের কৌশল দিয়ে কোনো দলই শেষ পর্যন্ত লাভবান হবে না।

ভয় দেখিয়ে বা নির্বাচন প্রকৌশলের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশরাফুল আলম অতীতে মেয়র ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছেন। ২০০৯ সালে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে জয়ী হওয়ার নজিরও রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলেও তিনি তিনবার চেয়ারম্যান ও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ এখন তাকে পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভোটের মাধ্যমে জনগণই ঠিক করবে কে জিতবে, কে হারবে। 

সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

আ.দৈ/আরএস




Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

● About Us    ● Advertisement    ● Terms & Conditions    ● Privacy Policy    ● Copyright Policy    ● Circulation    ● Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝