যারা হাসিনার পতন মানতে পারেনি,তারাই চক্রান্ত করছে: রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভারতকে চেয়েছে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রেখে আজীবন বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, যারা শেখ হাসিনার পতনকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই দুর্গাপূজার সময় দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন,ভারত এখনো নানা ষড়যন্ত্র এবং এদেশে অশান্তি সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আজ বুধবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে শারদীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন এসে এসব কথা বলেন রিজভী।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘কোনো একটি দেশ চেয়েছে হাসিনাকে টিকিয়ে রেখে আজীবন তারা বাংলাদেশকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এই প্রচেষ্টা তারা এখনো করার চেষ্টা করছে। আজ সীমান্তে পাহাড়ে অশান্তি কেন? কী এমন ঘটনা হয়েছে পূজার সময়? সেখানেও তো অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আছে।
তিনি বলেন, সেখানে হঠাৎ করে অশান্তি তৈরি করা হলো কেন? সারাদেশকে ওইদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হলো কেন? এই উৎসবের মুহূর্তে এটা পরিকল্পিত। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার একটা জাতীয়-আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, যারা শেখ হাসিনার পতনকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই এই চক্রান্ত করে যাচ্ছে দুর্গাপূজার সময়। এমন কিছু ঘটনা ঘটাতে হবে যাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় বিদেশে। এই কারণেই এই প্রচেষ্টা তারা চালাচ্ছে।’
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছেন তার রাজত্ব কায়েম করার জন্য, তার ছেলে-মেয়ে, ভাগনে-ভাগনিকে সম্পদ দেবেন। এটা ছিল শেখ হাসিনার একটা পারিবারিক শাসন, পারিবারিক রাজত্ব তৈরি করতে চেয়েছেন, কারণ তিনি মনে করতেন যে এই দেশটা তার বাপের। এটা তাদের ব্যক্তিগত মালিকানা এবং ব্যক্তিগত জমিদারি।
পূজামণ্ডপের চিত্র তুলে ধরে রিজভী বলেন, রাজনীতিতে বিভাজন নেই বলেই আজকে পরস্পরের মধ্যে হৃদয়ে সম্মেলন করছেন, সেই সম্মেলন অসাধারণ ও অতুলনীয়। কিন্তু চেষ্টা আছে, এখনো প্রচেষ্টা আছে-এটাকে ভাঙ্গার।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, দুর্গাপূজার উৎসবকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। দল-মত নির্বিশেষেই এই আন্তরিকতা রয়েছে। তারপরও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বা আমাদের এই সমাজের মধ্যে থেকে নিজেকে লুকিয়ে রেখে নানা অন্তর্ঘাত করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
রিজভী বলেন, ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ করেছে মুসলিম-হিন্দু মিলেমিশে, এখানে তো কোনো সাম্প্রদায়িক বিভাজন হয়নি। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি একসঙ্গে। সেটি হোক ৯০ কিংবা ২৪ সালে।
আ. দৈ./কাশেম




















