বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
ই-পেপার

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পুরান ঢাকায় মন্দিরের নামে বাড়ি দখল হয়নি: মনোজ কুমার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:০৮ পিএম   (ভিজিট : ৩৫৩)
X

রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে মন্দিরের নামে কেন বাড়ি দখল হয়নি। গত বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে গীতা রানী মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ সম্মেলন করেছেন।  ওই সাংবাদিক সম্মেলনের জবাবে পাল্টা সংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।

আজ বুধবার (০৯ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের এ অভিযোগ করেন শ্রী শ্রী যূঁত মদন গোপাল জিউঁ বিগ্রহ ঠাকুর মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মনোজ কুমার দাস গোবিন্দ। 

মনোজ কুমার দাস গোবিন্দ জানান, শ্রী শ্রী যুত মদন গোপাল জিউ বিগ্রহ ঠাকুর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ললিতা বৈষ্ণবী, স্বামী- গঙ্গাচরণ দাস । তিনি নিঃসন্তান দম্পতি। জমির পরিমাণ ৫৩০ অযুতাংশ। মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২৭ শে আষাঢ় ১২৯০ বঙ্গাব্দ। সি. এস. পর্চায় জমির মালিক নিরূপমা দাস্যি ওরফে ললিতা বৈষ্ণবী, স্বামী- গঙ্গাচরণ দাস, যাহা লাখেরাজ সম্পত্তি। যে সম্পক্ষির কোন কর হয় না, নিষ্কর সম্পত্তি। এই সম্পত্তি দেবোত্তর করে ভগবানকে উৎসর্গ করে নিজেই সেবাইত নিযুক্ত হন এবং তাঁর মৃত্যুর পরবর্তীতে তিনি হরমোহন দাস-কে পরবর্তী সেবাইত নিযুক্ত করেন।গীতা রানী এই মন্দির এবং মন্দিরের বাড়ির কেহ না, তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে মিথ্যা বলেছেন। এই বাড়ীতে তিনি কখনো থাকেননি। 

সংবাদ সম্মেলনে মনোজ কুমার দাস গোবিন্দ আরো জানান, ৯৫ নং ঋষিকেশ দাস রোডের দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর রশিদের কপিতে হরমোহন দাস সেবাইত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছেন। ২০১৩ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী গীতা রানী অবৈধভাবে মন্দির দখল নিতে আসলে এই মন্দিরে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সভাপতি শিবনাথ ঘোষ শিবু এবং গোবিন্দ এর নেতৃত্বে এলাকার সব হিন্দু এবং হিন্দু সংগঠন মিলে দখলদারদের হাত থেকে মন্দির উদ্ধার করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে মিস আপীল মামলা চলমান অবস্থায়। শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামীলীগের পতনের পর বর্তমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক, থানা পুলিশ কোন ভূমিকা নিচ্ছে না, সেনা টহলও নেই।

সামগ্রিক অবস্থার বিচারে এই সুযোগে গীতা রানী, সামছু ও মান্নান গং-রা ২০০/২৫০ জন লোকবল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১২ই সেপ্টেম্বর বিকালে দ্বিতীয়বারের মতো মন্দিরে হামলা চালায়। প্রথমে সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে এবং হার্ডডিক্স নিয়ে যায় যাতে কোন ফুটেজ না পাওয়া যায়। বিগ্রহের অলংকার ও পূজার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

 মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কার্তিক রায়ের বাসায় ভাংচুর করে, অস্ত্র ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় এবং কার্তিক রায়ের স্ত্রী শিল্পী রানি রায় এর উপর রড দিয়ে হামলা চালিয়ে জখম করে, তার দুই মেয়ের গায়ে হাত দেয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। মন্দিরের গেইটে এবং সমস্ত মন্দিরে ১৭টা তালা মেরে দেয়। মন্দির কমিটির সেক্রেটারী মনোজ কুমার দাস গোবিন্দ মন্দিরটি মেইনরোডে অবস্থিত হওয়ায় তার ডাকে এলাকাবাসী ও লোকজন জড়ো হয় এবং সকলে এগিয়ে আসে, হিন্দু সংগঠনগুলোও এগিয়ে আসে এবং থানায় যায়। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরে পুলিশ আসে পরে সেনাবাহিনী এসে তালা ভেঙ্গে মন্দির খুলে দেয়।


আ. দৈ. /কাশেম/ এস এস





Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
ধর্ম- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

● About Us    ● Advertisement    ● Terms & Conditions    ● Privacy Policy    ● Copyright Policy    ● Circulation    ● Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝