আগামী গ্রীষ্মে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী গ্রীষ্মে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন বা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ঠেকাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই চাপিয়ে দেওয়া হবে না; বরং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন, সক্ষমতা ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ও ইউজিসি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্বন ক্রেডিট অর্জন ও তা বিক্রির সুযোগ সৃষ্টিতে বিদ্যুৎ বিভাগ পূর্ণ সহযোগিতা করবে। দেশে সৌরবিদ্যুতের প্রসার ঘটাতে আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর ঢাকায় ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো’ আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অত্যন্ত কার্যকরী। এতে বিদ্যুৎ বিল বাবদ বড় অঙ্কের খরচ বাঁচবে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ইতোমধ্যে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, বুয়েটের উপাচার্য ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম আবদুর রাজ্জাক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইউজিসির কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আ.দৈ/এসআর




















