টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব এগ্রোনোমি’র ২৫তম কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
কৃষি খাতের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি উৎপাদনে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি। কিন্তু আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, বরং সীমিত সম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে তাল মেলানো। কিভাবে একই জমিতে অধিক উৎপাদন, কম খরচ, উন্নত মান এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা যায়- সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বের সাথে কাজ করতে হবে।’
উদ্ভাবন ও গবেষণার ফল কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবছর বিজ্ঞানী ও গবেষকরা অনেক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। তবে সেই উদ্ভাবনের সুবিধা বাস্তবে কতজন কৃষকের কাছে পৌঁছাল, তা সবসময় বিবেচনায় রাখতে হবে।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলে চলবে না; বরং উদ্ভাবন, আধুনিক সমস্যার সমাধান ও সামগ্রিক কৃষি খাতের রূপান্তরের কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে।
ড. মিলন বলেন, কৃষি যন্ত্রপাতি পরিচালনা, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতে দক্ষ জনবল প্রয়োজন। আর এ ধরনের দক্ষতা তৈরির ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং (টিভেট) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব এগ্রোনোমির সভাপতি ড. এ কে এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বারিন্দ মাল্টিপারপাস ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুস সালাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম।
আ.দৈ/এসআর




















