২৫ অক্টোবর ক্লিনার লিপি বেগম মাদকসহ আটক, বর্তমানে করাগারে
ডিএসসিসিতে মাদক কেনা-বেচায় জড়িয়ে পড়ছে ক্লিনাররা,প্রশাসন নিরব !
আবুল কাশেম

ফাইল ছবিতে- ডিএসসিসির ক্লিনার লিপি বেগম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন এলাকায় মাদক ক্রেতা-বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের উৎপাত অনেক বেড়েছে। হিরোইন, ইয়াবা, গাজা, ফেনসিডিলসহ নানা ধারনের মানকদের ছড়া ছড়ি, ছিনতাই, চুরিসহ অপরাধের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। আর এই মাদকের ভয়াবহতা ও ছিনতাইকারীদের ভয়ঙ্কর আস্থানায় গত ১৭ অক্টোবর সরাসরি অভিযানে সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বর্তমান বিএনপি সরকারের সংসদ সদস্য ও তরুন নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।
কিন্তু ওই অভিযানে তিনি বৈধ অস্ত্র নিয়ে কোনো নেতৃত্ব দেওয়ার ঘটনায় ইশরাক হোসেনকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে গত ১৯ অক্টোবর পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে পক্ষে বিপক্ষে নানা আলোচনার যেন শেষ নেই।
এদিকে খোঁজ নিয়ে যানা যায়, ডিএসসিসির কতিপয় ক্লিনার, কর্মচারীর বিরুদ্ধে হিরোইন, ইয়াবা, গাজা, ফেনসিডিলসহ নানা ধারনের মানকদের রমরমা কেনা বেচায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তারা সংশ্লিষ্ট কি্মাদক ক্রেতা-বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের উৎপাত অনেক বেড়েছে। হিরোইন, ইয়াবা, গাজা, ফেনসিডিলসহ নানা ধারনের মানকদ ক্নিনার কর্মকর্তাদের নিরবতার সুযোগ নিচ্ছন। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও ওইসব ক্লিনারদের নিয়মিত হাজিরায় উপস্থিত দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত ২৫ অক্টোবর পুরান ঢাকায় ওয়ারী থানাধীন ডিএসসিসির অঞ্চল---৪ এর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়ী- ৫, নবানী স্ট্রীটে ডিএসসিসির মাষ্টার রুলে চাকরিজীবী 'ক্লিনার লিপি বেগমকে' মাদকসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লিপি বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ হেরোইন, ইয়াবা, ও মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় ডিএমপির ওয়ারী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। বর্তমানে লিপি বেগম কারাগারে আছেন। এই বিষয়টি গোপন রেখে তাকে নিয়মিত হাজিরা দেখানো হচ্ছে, পাশাপাশি আদালত থেকে তাকে জামিনে মুক্ত করার চেষ্টা চলছে। ওই ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা (সিআই) মহসিন এইসব বিষয়ে রহস্যজনক কারণে নিরব রয়েছেন।
আলোচিত অভিযোগের জবাবে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা (সিআই) মহসিন এই প্রতিনিধিকে বলেন, ক্লিনার লিপি বেগমের মাদকসহ গ্রেফতারের খবর পাবার পর তার হাজিরা বন্ধ রেখেছেন। একইসাথে অফিসিয়াল নোট দিয়েছেন ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে। আর ভুয়া হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক না।
তবে গোপনে তদন্ত এবং অনুসন্ধান করলে ডিএসসিসির বেশ কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টার প্রমাণ মিলবে। এরমধ্যে ক্লিনারদের কোয়াটার, কর্মচারীদের কোয়াটার এবং বিভিন্ন স্থানে মাদক বেচা- কেনায় জড়িতদের বিষয়ে অনেক চাঞ্চল্য কর তথ্য বেরিয়ে আসবে। এসব বষয়ে কেউ কথা বলতে রাজি নয়।
আ. দৈ./একে




















