ঢাকায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা দুই সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে বড় চ্যালেঞ্জ: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সীমিত জনবল ও দপ্তর দিয়ে এত বড় নগরের সব সেবা নিশ্চিত করা কঠিন। ওয়ার্ডভেদে সমস্যার ধরন আলাদা। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার নাগরিক ও নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ এলাকার প্রকৃত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উপায় নির্ধারণ করতে হবে। শুধু সমস্যা চিহ্নিত করলেই হবে না, সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও ঠিক করতে হবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার কমিউনিটি সেন্টারে কলাবাগান, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, শাহবাগ ও রমনা অঞ্চলের নাগরিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে প্রায় তিন কোটি মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় পরবর্তী সময়ে আবার সভা করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
উন্নয়নকাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘কোন রাস্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বিবেচনা করে উন্নয়নকাজের অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। রাস্তা কার এলাকায় বা কার বাড়ির সামনে, সেটি বিবেচ্য হতে পারে না। ব্যক্তি বা বিশেষ এলাকার স্বার্থের পরিবর্তে বৃহত্তর নগরবাসীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।
সিটি করপোরেশনের অর্থের সংস্থান ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যেসব এলাকায় যে ধরনের সেবা প্রয়োজন, সেখানে তা নিশ্চিত করতে হবে। নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা প্রতিষ্ঠায় সিটি করপোরেশনকেই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো আসন বা এলাকার উন্নয়ন অনেকাংশে সিটি করপোরেশনের কাজের ওপর নির্ভরশীল। সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের বাইরে গিয়ে তাঁর পক্ষে সরাসরি কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা দাপ্তরিকভাবে সম্ভব নয়। তবে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় আবেদন এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারেন।
নগরের জনশৃঙ্খলা, রাস্তাঘাটে চলাচল, সড়কের মান ও পরিবেশের উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের নিজেদের সমস্যাগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করতে হবে এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আ দৈ/ এস এন




















