মুজিব কর্নার বদলে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ‘মুজিব কর্নার’ সংস্কার করে সেখানে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ।
সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে সম্পূরক প্রশ্নে এ প্রস্তাব দেন তিনি। মারদিয়া মমতাজ বলেন, আগের সরকারের সময়ে প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন পাঠাগার ও বিদ্যালয়ে মুজিব কর্নার স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এসব কর্নারের পরিচিতি সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেক জায়গায় স্থাপনাগুলো অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ওই প্রকল্পের আওতায় বিপুলসংখ্যক বই সরবরাহ করা হলেও সেগুলোর বিষয়বৈচিত্র্য ছিল সীমিত। তাই এসব কর্নারকে সংস্কার করে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, স্মৃতি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও সংশ্লিষ্ট পাঠাগারের তালিকা জমা দিতে সংসদ সদস্যকে অনুরোধ করেন। তিনি জানান, প্রস্তাব পাওয়ার পর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি গণগ্রন্থাগারের পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের অধীনে থাকা বেসরকারি পাঠাগারগুলোও জেলা-উপজেলা পেরিয়ে গ্রাম পর্যায়ে বিস্তৃত। এসব প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়ে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।
আ.দৈ/আরএস




















