কর্মচারীর টাকা আত্মসাৎ,ঢাকা ক্লাবের সভাপতিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও রবিন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের পরিচালক শামীম হোসেন, ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা, সিও ও সচিব লে. কর্নেল (অব.) ছাব্বির আহম্মেদ এবং চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেনের বিরেদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মচারীর পাওনা টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকি অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ঢাকা ক্লাবের সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা মামলাটি করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ওই চার আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর পাওনা টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন আসামিরা।
মামলার অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, বাদী আশিক মোল্লা ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পরের বছর ১৯ আগস্ট তাকে স্থায়ী করা হয়। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রায় ছয় মাস পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বাদীর দাবি, চাকরি থেকে অব্যাহতির পর সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতনসহ তার মোট ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওনা হয়। পাওনা আদায়ে তিনি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১২৪(ক)-এর (৫) ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন করেন। তবে মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নোটিশ দেওয়া হলেও আসামিরা মধ্যস্থতায় অংশ নেননি। পরে শ্রম পরিদর্শকের কাছ থেকে লিখিত ছাড়পত্র পান বাদী।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, ছাড়পত্র পাওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট তিনি পাওনা টাকা চাইতে ঢাকা ক্লাবে যান। এ সময় তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে বাকি ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৯ টাকা দিতে আসামিরা অস্বীকৃতি জানান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, অবশিষ্ট টাকা নিয়ে দাবি-দাওয়া করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণের পর অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
আ. দৈ./একে




















