ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে এবার পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের শাসনে দেশকে ঋণ ও আমদানিনির্ভর একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভঙ্গুর হয়ে পড়া রাষ্ট্রকে এবার পুনর্গঠন করতে হবে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণবিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশসহ সব ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রকে এবার পুনর্গঠন করার পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় এসডিজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।’
তিনি বলেন, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই কাঠামোর মাধ্যমে দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।
সরকারের গৃহীত ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভে’ দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিজির মূল অগ্রাধিকারগুলোর প্রতিফলন এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ যেমন সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে সাফল্য দেখিয়েছে, তেমনি এসডিজি বাস্তবায়নেও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’। বর্তমান সরকারের জননীতির সঙ্গেও এই নীতির মিল রয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকারের নীতি হচ্ছে—‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।
বিএনপির বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নকে কেন্দ্র করেই দলটির বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার সঙ্গে এমডিজি ও এসডিজির লক্ষ্যগুলোর উল্লেখযোগ্য সামঞ্জস্য রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আ.দৈ/আরএস




















